দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার ভোটগণনা শুরুর কিছুক্ষণ আগেই দিল্লির বিজেপি প্রধান মনোজ তেওয়ারি বলেছিলেন, আমরা ৫৫ টা আসনও পেয়ে যেতে পারি। গণনা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুটে উঠল বিপর্যয়ের চিহ্ন। তখন দিল্লিতে বিজেপি অফিসের বাইরে দেখা গেল নতুন পোস্টার। তাতে দলের প্রাক্তন সভাপতি অমিত শাহের হাসিমুখের ছবি। পাশে লেখা, আমরা জিতলে অহংকারী হই না। পরাজিত হলে হতাশও হই না।
অন্তত পাঁচটি এক্সিট পোলে বলা হয়েছিল, আপ বিপুল ব্যবধানে জিতবে, এদিন গণনা শুরু হতে বোঝা যায়, এক্সিট পোলের ফল মিলতে চলেছে। বেলা ১১ টা নাগাদ দেখা যায়, আপ এগিয়ে আছে ৫০ টির বেশি আসনে। বিজেপি এগিয়ে আছে ১৪ টিতে। কংগ্রেস আদৌ খাতা খুলতে পারবে কিনা নিশ্চিত নয়।
বিজেপি এক্সিট পোলের ফল উড়িয়ে দিয়ে বলেছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তার সামনে বিরোধীরা পরাজিত হবে। ভোটে প্রচারে নেমেছিলেন বিজেপির প্রায় প্রত্যেক হেভিওয়েট নেতা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অপর কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা। দিল্লিতে গত ২০ বছর বিজেপি ক্ষমতায় আসেনি। ২০১৫ সালের ভোটে দিল্লিতে ৭০ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে আপ একাই পেয়েছিল ৬৭ টি। বিজেপি পেয়েছিল তিনটি। সেই তুলনায় বিজেপি এবার ভাল ফল করতে চলেছে।
দিল্লির বিজেপি প্রধান মনোজ তেওয়ারি অবশ্য এদিন বেলা ১১ টা নাগাদ বলেন, "ভোটে কয়েক দফা কাউন্টিং হয়। সবে প্রথম পর্যায়ের গণনা হয়েছে। আমরা ভাল অবস্থায় আছি। ২৭ টি আসনে আপের সঙ্গে বিজেপির ব্যবধান এক হাজার ভোটেরও কম"। পরে তিনি বলেন, "এনিথিং ক্যান হ্যাপেন।" সবকিছুই ঘটতে পারে। অর্থাৎ তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এখনও বিজেপির জয়ের আশা আছে।
দিল্লির ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ৬৭২ জন প্রার্থী। ভোট হয়েছিল ৮ ফেব্রুয়ারি।