Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মোদীর গলায় ঢোল, ভাষণে কংগ্রেসের মুণ্ডপাত, মেরুকরণে অস্ত্র বজরং দল, হনুমানও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গলায় ঝুলছে ঢোল। পরনে গেরুয়া উত্তরীয়। মাথায় পদ্মফুল আঁকা টুপি। মঞ্চে পেশাদার বাজনদারদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢোল বাজালেন অনেকক্ষণ। কর্নাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে (Karnataka Campaign) হোসপেটের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদ

মোদীর গলায় ঢোল, ভাষণে কংগ্রেসের মুণ্ডপাত, মেরুকরণে অস্ত্র বজরং দল, হনুমানও

শেষ আপডেট: 2 May 2023 10:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গলায় ঝুলছে ঢোল। পরনে গেরুয়া উত্তরীয়। মাথায় পদ্মফুল আঁকা টুপি। মঞ্চে পেশাদার বাজনদারদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢোল বাজালেন অনেকক্ষণ। কর্নাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে (Karnataka Campaign) হোসপেটের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মঙ্গলবার এই চেহারায় দেখা গেল। তারপর ভাষণ শুরু করতে বোঝা গেল জোরে জোরে ঢোল লাঠির ঘা আসলে ছিল কংগ্রেসের কবরে পেরেক ঠোকার প্রতীকী বার্তা। সদ্যই পালিত হয়েছে হনুমান জয়ন্তী। প্রধানমন্ত্রী ভাষণের শুরুতেই বলেন, ‘আজ আমি হনুমানজির জন্মস্থানে এলাম। আর আজই কিনা কংগ্রেস হনুমান ভগবানকে ধরে তালাবন্ধ করে রাখার কথা জানাল।’ মোদী আরও বলেন, ‘কংগ্রেস বছরের পর বছর ভগবান রামকে তালাবন্ধ করে রেখেছিল। এবার তারা টার্গেট করল রামভক্ত হনুমানকেও (Hanuman)।’ প্রসঙ্গত, প্রতি বছর হনুমান জয়ন্তীতে বিতর্ক সামনে আসে হনুমানের জন্মস্থান কর্নাটক নাকি অন্ধ্রপ্রদেশ। মোদী কর্নাটককেই জন্মস্থান বলে ভাষণে উল্লেখ করেন।

শুধু প্রধানমন্ত্রীই নন, মঙ্গলবার কর্নাটকের প্রচারে বিজেপি (BJP) নেতাদের মুখে শুধুই হনুমানের নাম। দলের প্রচার সভায় মুহুর্মুহু স্লোগান উঠছে, ‘হনুমানজি কী জয়’, ‘বজরংবলী কী জয়’, ইত্যাদি। আসলে মঙ্গলবার সকালেই কংগ্রেস তাদের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আর তারপরেই কর্নাটকে নয়া উদ্যোমে নেমে পড়েছে গোটা গেরুয়া শিবির। কংগ্রেস বলেছে, তারা ক্ষমতায় এলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দল এবং ইসলামপন্থী পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। কংগ্রেসের বক্তব্য, দুটি সংগঠনই দেশের শান্তি সম্প্রীতির জন্য বিপজ্জনক। সাম্প্রতিক অতীতে কর্নাটকে সাম্প্রদায়িক অশান্তির পিছনে এই সংগঠন দুটির নাম ঘুরে ফিরে এসেছে।

কংগ্রেসের এই ঘোষণাতেই রে রে করে পথে নেমে পড়েছে গোটা হিন্দুত্ববাদী পরিবার। বাদ নেই প্রধানমন্ত্রীও। বজরংবলীকে কংগ্রেস তালাবন্ধ করতে চায় বলে প্রধানমন্ত্রী আসলে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণাকেই নিশানা করেছেন, মত রাজনৈতিক মহলের।

বজরং দল হল আরএসএসের অনুমোদিত সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুব শাখা। তাদেরকে ইসলামপন্থী সংগঠন পিএফআইয়ের সঙ্গে এক বন্ধনীতে রাখা নিয়েই আপত্তি গেরুয়া শিবিরের। প্রসঙ্গত, বিগত এক বছর যাবৎ কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, বিহার, উত্তরপ্রদেশ-সহ ১৬টি রাজ্যে পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে এনআইএ অভিযান চালাচ্ছে। ভারত সরকার গত বছর ওই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নেতাদের জেলে পুরেছে। অন্যদিকে, বিক্ষিপ্তভাবে বজরং দলের নাম বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়েছে। যদিও গেরুয়াবাদীরা এই সংগঠনকে দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদী শক্তি বলেই মনে করে।

মোদী আজ দ্বিতীয় দফার প্রচার শুরু করেছেন কর্নাটকে। এই মুহূর্তে তিনি হোসপেটে রোড-শো করছেন। কংগ্রেসের ইস্তাহার আজ প্রধানমন্ত্রীর হাতে যেন নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে। উপহাসচ্ছলে বলেন, ‘কংগ্রেস আজ বান্ডিল বান্ডিল প্রতিশ্রুতি বিলিয়েছে। কিন্তু ওদের নিজেদেরই মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে।’

তবে মোদী সবচেয়ে বেশি আক্রমণাকত্মক ছিলেন কংগ্রেসকে হিন্দুত্বের অস্ত্রে নিশানা করতে। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস যা বলেছে, তার অর্থ জয় বজরংবলী বলা লোকেদেরও ওরা তালাবন্ধ করে রাখবে।’ এই সূত্রেই অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রসঙ্গ আনেন প্রধানমন্ত্রী। এখন সেখানে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে। মসজিদ অক্ষত থাকার সময় তার ভিতরে রামলালার মূর্তি রাখা ছিল। কিন্তু পূজাপাঠের অনুমতি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রসঙ্গেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভগবান রামকে তালা বন্ধ করে রাখার অভিযোগ করেন মঙ্গলবারের সভায়। যদিও বাস্তব হল, ১৯৮৯-এ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নির্দেশেই বাবরি মসজিদের তালা খোলার ব্যবস্থা হয় এবং হিন্দুরা পূজা করার অনুমতি ফিরে পেয়েছিল।

রাহুল, প্রিয়ঙ্কাদের মুখে ইন্দিরা, কর্নাটকে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে গান্ধী পরিবার


```