দ্য ওয়াল ব্যুরো : বৃহস্পতিবার এয়ার ইন্ডিয়াকে (Air India) টাটা গোষ্ঠীর (Tata Group) হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার প্রত্যেক কেবিন ক্রু-র (Cabin crew) কাছে পাঠানো হয়েছে একটি মেল। তাতে লেখা হয়েছে, 'আজ রাতে আমরা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে বেসরকারি সংস্থায় পরিণত হচ্ছি। আগামী সাতদিন এই সংস্থার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখন আমরা এয়ার ইন্ডিয়ার ভাবমূর্তি, কর্মীদের মানসিকতা ও সংস্থার প্রতি মানুষের ধারণা বদলাতে চেষ্টা করব।'
এদিন থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার চারটি উড়ানে চালু হচ্ছে 'এনহ্যান্সড মিল'। আগেই ক্যাটারারদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, এনহ্যান্সড মিল-এ কী কী দিতে হবে। সেইমতো দিল্লি-মুম্বই এবং উপসাগরীয় দেশগুলির কয়েকটি রুটে চালু হবে ওই মিল।
টাটা গোষ্ঠী মনে করে, ইনফ্লাইট কেবিন ক্রু-রাই হলেন সংস্থার সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। তাঁরাই মূলত বিমান সংস্থার ভাবমূর্তি গড়ে তোলেন। তাঁরা যাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান। গুরুত্বপূর্ণ অতিথিদের পরিষেবা দেন। তাঁদের পোশাক হতে হবে কেতাদুরস্ত। তাঁদের সবসময় বিধি মেনে চলতে হবে।
ইতিমধ্যে পাইলটদের দু'টি ইউনিয়ন, ইন্ডিয়ান পাইলটস গিল্ড এবং ইন্ডিয়ান কমার্সিয়াল পাইলটস অ্যাসোসিয়েশন এয়ার ইন্ডিয়ার সিএমডি বিক্রমদেব দত্তকে হুমকি দিয়ে বলেছে, বিমানচালকদের প্রাপ্য টাকার কিছু অংশ কেটে নিলে মামলা করা হবে। গত ২০ জানুয়ারি এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছিল, কেবিন ক্রু-দের বিএমআই অর্থাৎ বডি মাস ইনডেক্সের হিসাব নেওয়া হবে। গত সোমবার ওই আদেশের বিরুদ্ধে সিএমডি-কে চিঠি লেখে তিনটি ইউনিয়ন। তারা বলে, ওই নির্দেশ অমানবিক। তা ডিজিসিএ-র নির্দেশের বিরোধী।