
শেষ আপডেট: 31 July 2020 18:30
সিদ্ধা তাদের ভার্চুয়াল সাইট ভিজিট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা করেছে যেখানে ক্রেতারা নির্মীয়মাণ ফ্ল্যাট বা রেডি ফ্ল্যাট দেখতে পাচ্ছেন। ফ্ল্যাটের বিপণনে ডিজিটাল মাধ্যম ও প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এই মন্দার পরিবেশেও ভাল সংখ্যায় ফ্ল্যাট বুক হয়েছে। যেমন সিদ্ধা ইডেন লেকভিলে, সিদ্ধা ওয়াটারফ্রন্ট, সিদ্ধা সাবার্বিয়া, সিদ্ধা হ্যাপিভিলে, সিদ্ধা গ্যালাক্সিয়া, সিদ্ধা স্কাই, মধ্যমগ্রামের সিদ্ধা টাউন ও মুম্বইয়ের সিদ্ধা স্কাই ওয়াডলা এবং সিদ্ধা সিক্রুক -এর মতো প্রজেক্টে ৮৯ টি ফ্ল্যাট (ইউনিট) বিক্রি হয়েছে। সিদ্ধা হ্যাপিভিলেতে বিক্রি হয়েছে ৩৫ টি ফ্ল্যাট, যা বেশ উল্লেখযোগ্যই বলা যায়।
সিদ্ধা গ্রুপ দু'টি নতুন টাওয়ারের কাজ শুরু করেছে সিদ্ধা গ্যালাক্সিয়ায়। এই প্রোজেক্ট গোড়া থেকে ভাল সাড়া ফেলেছে। কারণ, সংস্থার দাবি এখানেই হতে চলেছে বিশ্বের দীর্ঘতম রুফটপ স্কাইওয়াক।
ইডেন রিয়েলিটিও পিছিয়ে নেই। তারাও ডিজিটাল মাধ্যমে বিপণনেই জোর দিয়েছে। লকডাউনের মধ্যেই তিন হাজারের বেশি ক্রেতা তাদের বিভিন্ন প্রোজেক্টে ফ্ল্যাট কেনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সোলারিস জোকা এবং সোলারিস সিটি শ্রীরামপুরে প্রায় ২৯ টি ফ্ল্যাট (ইউনিট) বিক্রি করেছে। সোলারিস বনহুগলি প্রোজেক্টের কাজও শুরু হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্বের শর্ত মেনে সেখানে ৬০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সোলারিস বনহুগলির প্রথম ফেজের কাজ শেষ করে সামনের বছর মার্চ মাসের মধ্যে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা। তবে তার ৬ মাস আগেই তথা এ বছর সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ক্রেতাদের পজেশন দেওয়া যাবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
শুধু কলকাতা শহরে নয়, শহরতলিতেও পরিস্থিতির তুলনায় ভাল সংখ্যায় ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে। রাজ্যের টিয়ার-টু শহরে যারা কাজ করছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল বেঙ্গল সৃষ্টি। লকডাউনের মধ্যে তাদের ফ্ল্যাট অভিজ্ঞতা কেমন তা জানতে চাইলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউনের জন্য প্রথম দিকে সবই বন্ধ ছিল। কিন্তু তার পর আনলক শুরু হতেই তাদের বিভিন্ন প্রোজেক্টে এখনও পর্যন্ত ২০ টি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে। আরও লোকজন আগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রোজেক্টগুলোতে নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। আগের মতো কর্মী অবশ্য কাজ করছেন না। তবে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ নির্মাণকর্মী বিভিন্ন প্রোজেক্ট সাইটে কাজ করছেন। বেঙ্গল সৃষ্টি সম্প্রতি আসানসোলে টাউন হাউজ নামে তাদের ডুপ্লেক্স হোমের দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু করেছে। সেখানে আশাপ্রদ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথার উপরে ছাদের প্রয়োজন তথা চাহিদা মানুষের সব সময়েই থাকবে। মনে রাখতে হবে, যাদের উপার্জন অটুট রয়েছে, তাঁরা এই সময়ে দু’রকম সুবিধা পাচ্ছেন। এক, গৃহ ঋণে সুদের হার কম। দুই ফ্ল্যাটের বাজার দরও কম। এটা একটা অভূতপূর্ব সুযোগ। বাজারে কারেকশন শুরু হলে, অর্থাৎ বাজার ছন্দে ফিরলে এই সুযোগ নাও থাকতে পারে।