দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী শুক্রবার বলেছিলেন, এনপিআর হলে বাড়তি করের বোঝা চাপবে গরিবদের ওপরে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাহুলের তীব্র সমালোচনা করল বিজেপি। তাঁকে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী। তিনি মিথ্যা বলে নিজের দল ও পরিবারকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন।
শীর্ষস্থানীয় বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর অভিযোগ করেন, কংগ্রেস দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়। এনপিআর সমর্থনের জন্য তিনি জনসাধারণের কাছে আবেদন জানান। তাঁর কথায়, "এনপিআরের জন্য কারও থেকে টাকা নেওয়া হবে না। এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হবে কারা গরিব। সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি যাতে তাদের কাছে পৌঁছায়, সেজন্যই এনপিআর করা হচ্ছে।" একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০১০ সালেও এনপিআর হয়েছিল।
তাঁর কথায়, "এনপিআরের জন্য টাকার লেনদেন হওয়ার সরকার নেই। এর মাধ্যমে যে তথ্য পাওয়া যাবে, তার সাহায্যে গরিবদের কাছে কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুফলগুলি পৌঁছে দেওয়া হবে।"
রাহুলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "তিনি যখন কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন, তখন সবসময় মিথ্যা কথা বলতেন। এখন তিনি আর দলের সভাপতি নেই। কিন্তু এখনও মিথ্যা বলে চলেছেন। যদি বছরের সেরা মিথ্যাবাদী হিসাবে কাউকে পুরস্কার দেওয়া হত, তা পেতেন রাহুল গান্ধী।"
এদিন রাহুল রায়পুরে ন্যাশনাল ট্রাইবাল ডান্স ফেস্টিভালে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে সাংবাদিকদের বলেন, "এনআরসি হোক বা এনপিআর, করের বোঝা চাপবে গরিবের ওপরেই। নোটবন্দির সময়েও গরিবের ওপরে বাড়তি কর চেপেছিল।"
পরে বলেন, "গরিব মানুষকে নথিপত্র নিয়ে বড় অফিসারদের কাছে যেতে হবে। ঘুষও দিতে হবে। যদি কারও নামের বানান লিখতে সামান্য ভুল হয়, তাহলেই ঘুষ চাওয়া হবে। গরিব মানুষের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা বেরিয়ে যাবে। তা গিয়ে জমা হবে সবচেয়ে ধনী ১৫ জনের পকেটে। এটাই সত্যি কথা।"