দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার রাতেই শিবসেনা জানায়, এনসিপি ও কংগ্রেসের সমর্থনে তারা সরকার গড়তে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতা উদ্ধব ঠাকরে। এর পরে শিবসেনার এক নেতা টুইটারে জানালেন, তিনি ইস্তফা দিচ্ছেন। দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে তাঁর খুব কষ্ট হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে তিনি দলের সব পদে ইস্তফা দিচ্ছেন।
ওই নেতার নাম রমেশ সোলাঙ্কি। তিনি টুইটারে লিখেছেন, “মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করতে পারার জন্য শিবসেনাকে অভিনন্দন জানাই। এই প্রথমবার রাজ্যে শিবসেনার এক নেতা মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন।” এর পরেই রমেশ ব্যাখ্যা করেছেন, কেন তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি লিখেছেন, “আমার বিবেক ও আমার মতাদর্শ কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে কাজ করার অনুমতি দেয় না। আমি মন থেকে সায় না পেলে দলের হয়ে কাজ করতে পারব না।”
শেষে রমেশ লিখেছেন, “আমি চিরকাল মনের দিক থেকে বরাবর বালাসাহেব ঠাকরের শিবসৈনিক থাকব।”
https://twitter.com/Rajput_Ramesh/status/1199334911204741125
মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস ও শিবসেনার জোট হতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লেগেছে। দুই দলের মতাদর্শ সম্পূর্ণ বিপরীত। সেজন্য শিবসেনাকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে দ্বিধায় ছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের ধারণা ছিল, শিবসেনাকে সমর্থন করলে সংখ্যালঘু ভোটাররা তাদের থেকে সরে যাবেন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতারা বলেছিলেন, বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার জন্য শিবসেনাকে সমর্থন করা যেতেই পারে।
সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের ১৬২ জন বিধায়ক সমবেত হন। রমেশ জানিয়েছেন, তখনই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কথায়, “আমি ২১ বছর ধরে শিবসেনায় আছি। অনেক ওঠাপড়া দেখেছি। কিন্তু শিবসেনা যখন কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিল, তখন ভাবলাম, আর দলে থাকব না।”