
শেষ আপডেট: 4 November 2019 08:56
জোর্টার সামারসন তখন থেকেই থাকেন দক্ষিণ আইসল্যান্ডের স্নোটরা হোস্টেলে। সেই হোস্টেলেই ১০ বছর ধরে রাখা আছে জোর্টার সামারসনের কেনা বার্গার আর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। হোস্টেলের বর্তমান মালিক সিগি সিগুরদার জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন এই বার্গার দেখতে। অনেকেই পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন। এছাড়াও হোস্টেলের ওয়েবসাইটে বার্গারের লাইভ স্ট্রিম দেখেন দিনে গড়ে ৪ লাখ মানুষ। জোর্টার সামারসনের দাবি, খাবারের কাগজের মোড়ক দেখে বোঝা যায় বয়স হয়েছে কিন্তু বার্গারটি যেন কালকেই কেনা।
এই বার্গারের গল্প এটুকুই নয়। জোর্টার সামারসন প্রথমে প্লাস্টিকের প্যাকেটে করে গ্যারাজে রেখে দিয়েছিলেন। বছর তিনেক ছিল সেই অবস্থায়। এর পরে তিনি মিল প্যাকটি ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ আইসল্যান্ডকে দিয়ে দেন। কিন্তু মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই জানিয়ে সেটি ফেরত দিয়ে দেয়। জোর্টার সামারসন জানিয়েছেন, মিউজিয়াম নিতে না চাইলেও এটা পরীক্ষিত যে, এই বার্গার সংরক্ষণের জন্য আলাদা কোনও ব্যবস্থারই দরকার নেই।
নিজেদের বার্গার নিয়ে এতটা দাবি ম্যাকডোনাল্ডসও করে না। সংস্থার বক্তব্য, সাধারণ আবহাওয়ায় অন্য খাবারের মতো তাদের খাবারেও পচন ধরে। তবে জলীয় বাস্প নেই এমন জায়গায় রাখলে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়া বা পচনের সম্ভাবনা নেই।