
শেষ আপডেট: 28 January 2023 07:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সকালে বড় দুর্ঘটনার খবর এল মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মোরেনা জেলা থেকে। বায়ুসেনার দু'টি যুদ্ধবিমান প্রায় একইসঙ্গে ভেঙে পড়েছে সেখানে। এর মধ্যে একটি মিরাজ ২০০০ গোত্রের যুদ্ধবিমান। অন্যটি সুখোই ৩০ (থার্টি)। তবে বিমান দু'টি মুখোমুখি ধাক্কা মেরেছে না পৃথক কোনও যান্ত্রিক গোলযোগে ভেঙে পড়েছে (aircraft crash) তা ভারতীয় বায়ুসেনা খতিয়ে দেখছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র এয়ারবেস থেকে এই দু'টি বিমান প্রশিক্ষণের জন্য উড়েছিল। সুখোই থার্টি বিমানটিতে দু’জন পাইলট ছিলেন। মিরাজ বিমানটিতে ছিলেন একজন পাইলট। সূত্রের খবর, এঁদের মধ্যে দু’জনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের দু'জনের অবস্থাই সঙ্কটজনক। বাকি একজনের খোঁজ এখনও মেলেনি।
বলে রাখা ভাল, এ ধরনের যুদ্ধ বিমান মাঝআকাশে বিকল হলে পাইলটের ইজেক্ট করার সুযোগ থাকে। অর্থাৎ বিমানের উপরের ঢাকনা খুলে পাইলট ছিটকে বেরিয়ে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তেমনই ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বায়ুসেনার এক প্রাক্তন কর্তা বলেন, "পাইলটদের ইজেক্ট করার সুবিধা থাকলেও সবাই যে ইজেক্টের পর অক্ষত থাকেন তাও নয়। ইজেক্ট করার সময়েই চোট পাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাছাড়া কীভাবে কোথায় পাইলট প্যারাশুটে ল্যান্ড করছেন তাও একটা ব্যাপার। যে এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটেছে সেই এলাকা পাথুরে এবং রুক্ষ। তাই আহত দুই পাইলট এবং তৃতীয় পাইলটের জন্য উদ্বেগ রয়েই গেল।"
গোয়ালিয়রে ভারতীয় বায়ুসেনার বড় ঘাঁটি রয়েছে। সেখান থেকে মাত্র ৯০ কিলোমিটার দূরে ঘটনাটি ঘটেছে। যা পাড়ি দিতে লড়াকু বিমানের মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগতে পারে।
গোয়ালিয়রে মূলত মিরাজ ২০০০ বিমানের স্কোয়াড্রন থাকে। তবে সুখোইয়ের একটি স্কোয়াড্রনও সেখানে রয়েছে। শনিবার সকালে সেখান থেকেই প্রশিক্ষণের জন্য উড়েছিল বিমানদু'টি। তবে তারা কীভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল সেটাই এখন তদন্তের বিষয়।
মিরাজ ২০০০ এবং সুখোই ৩০ দু'টিই খুব পারদর্শী লড়াকু বিমান। ভারতীয় বায়ুসেনার রক্ষণে এই দুই গোত্রের বিমানই প্রথম সারির। শুধু তাই নয়, এই দুই বিমানই পাইলটদের জন্য নিরাপদ বলেই মনে করা হয়।
বাজেটের আগে আদানির শেয়ারে মহাপতন, স্টেট ব্যাঙ্ক-এলআইসির উপর কি আঘাত আসবে?