দুঃসাহসিক ঝাঁপ, স্কাইডাইভে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ল্যান্ড করে রেকর্ড বায়ুসেনার দুই অফিসারের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সি-১৩০ জে এয়ারক্রাফ্ট থেকে দুঃসাহসিক ঝাঁপ বায়ুসেনার দুই অফিসারের। প্যারাশুটে শরীরে ভাসিয়ে নামলেন লেহ-র দুর্গম খারদুংলা পাসে। উচ্চতা ১৭ হাজার ৯৮২ ফুট। এখনও পর্যন্ত এত উচ্চতায় ল্যান্ড করার নজির খুব কম। বৃহস্পতিবার বায়ুসেনা দি
শেষ আপডেট: 9 October 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সি-১৩০ জে এয়ারক্রাফ্ট থেকে দুঃসাহসিক ঝাঁপ বায়ুসেনার দুই অফিসারের। প্যারাশুটে শরীরে ভাসিয়ে নামলেন লেহ-র দুর্গম খারদুংলা পাসে। উচ্চতা ১৭ হাজার ৯৮২ ফুট। এখনও পর্যন্ত এত উচ্চতায় ল্যান্ড করার নজির খুব কম। বৃহস্পতিবার বায়ুসেনা দিবসে নতুন রেকর্ড গড়লেন উইং কম্যান্ডার গজানন্দ যাদব ও ওয়ারেন্ট অফিসার এ কে তিওয়ারি।
বায়ুসেনার তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে, খারদুংলা পাসের মতো দুর্গম এলাকায় স্কাইডিভ ল্যান্ডিং রীতিমতো চ্যালেঞ্জের কাজ। প্রথম অত উচ্চতায় বাতাসের অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। দ্বিতীয়ত, বায়ুর ঘনত্ব কম। শরীরের ভারসাম্য রাখাও কষ্টসাধ্য। তার উপরে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ল্যান্ড করাও সহজ ব্যাপার নয়। এয়ারক্রাফ্ট থেকে ঝাঁপ দিয়ে শূন্যে দেহ ভাসিয়ে এবড়ো খেবড়ো পাহাড়ি এলাকায় ল্যান্ড করতে হলে শুধু প্রশিক্ষণই নয়, সাহসও দরকার। সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন বায়ুসেনার দুই অফিসার।
https://twitter.com/IAF_MCC/status/1314589594076102656
গত বছরই উইং কম্যান্ডার গজানন্দ যাদব ‘তেনজিং নোরগে ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ পেয়েছিলেন। তিনি একজন দক্ষ প্যারাশুট জাম্প ইনস্ট্রাকটর। পাশাপাশি, বায়ুসেনার স্কাইডাইভিং টিম ‘আকাশ গঙ্গা’র সদস্য। এখনও অবধি স্কাইডাইভিংয়ে ২৯০০ বার ঝাঁপ দিয়ে রেকর্ড করে ফেলেছেন উইং কম্যান্ডার গজানন্দ।
[caption id="attachment_266861" align="alignnone" width="970"]
উইং কম্যান্ডার গজানন্দ যাদব[/caption]

এ বছর ৮৮ তম বায়ুসেনা দিবসের বিশেষ আকর্ষণ ছিল রাফাল ফাইটার জেট। ফ্রান্স থেকে কেনা পাঁচটি রাফাল ডানা মেলেছিল আকাশে। তাদের ঘিরে ছিল দুটি জাগুয়ার ও দুটি মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেট। সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানের প্রদর্শনও ছিল দেখার মতো। মোট ৫৫টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল কসরতে। তার মধ্যে ছিল ১৯টি ফাইটার জেট, ১৯টি হেলিকপ্টার, সাতটি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট, সূর্যকিরণ অ্যারোবিক টিমের সাতটি এয়ারক্রাফ্ট ইত্যাদি।