Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

কেরল বিধানসভায় তুমুল হট্টগোল, রাজ্যপাল বললেন, যে ভাষণ পড়ছি তা আমার মনের কথা নয়

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আগেই কেরলের বাম-গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। বুধবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। প্রথামতো রাজ্য সরকারের তরফে রাজ্যপাল যখন ভাষণ পড়ছেন, তখন রীতিমতো নাটকী

কেরল বিধানসভায় তুমুল হট্টগোল, রাজ্যপাল বললেন, যে ভাষণ পড়ছি তা আমার মনের কথা নয়

শেষ আপডেট: 29 January 2020 06:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আগেই কেরলের বাম-গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। বুধবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। প্রথামতো রাজ্য সরকারের তরফে রাজ্যপাল যখন ভাষণ পড়ছেন, তখন রীতিমতো নাটকীয় কাণ্ড হয়। পড়তে পড়তে তিনি থেমে যান এক সেকেন্ড। তারপর একটি বিশেষ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “আমি ভাষণের এই অনুচ্ছেদটি পড়ছি, কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান আমি পড়ি। এতে যা লেখা আছে, আমি তার সঙ্গে একমত নই। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই অনুচ্ছেদে যা লেখা আছে, তা সরকারের অবস্থান। তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান দেওয়ার জন্য আমি এই প্যারাগ্রাফটি পড়ছি।” কেরলে বিরোধী কংগ্রেস জোট আগেই দাবি করেছিল, রাজ্যপালকে ফিরিয়ে নেওয়া হোক। কারণ তিনি নাগরিকত্ব আইনকে সমর্থন করেছেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও স্পিকার পি শ্রীরামকৃষ্ণান রাজ্যপালকে নিয়ে বিধানসভায় ঢুকতে চেষ্টা করেন। তখন বিধানসভার দরজা আটকে দাঁড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের সদস্যরা। তাঁরা রাজ্যপালের উদ্দেশে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী ও স্পিকার বিরোধী বিধায়কদের শান্ত করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু ধস্তাধস্তি চলতেই থাকে। বিধানসভার মার্শালরা রাজ্যপালকে ঘিরে মানব বন্ধন তৈরি করেন। তাতেও বিরোধীরা থামেননি। মিনিট দশেক বিক্ষোভ চলার পরে মার্শালরা জোর করে রাস্তা ফাঁকা করে দেন। রাজ্যপাল ডায়াসে ওঠেন। নিয়মমতো রাজ্যপাল ডায়াসে উঠলে জাতীয় সংগীত শুরু হয়। তখন বিরোধীরা বিধানসভা কক্ষের মাঝে জড়ো হন। জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার পরে তাঁরা ফের স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। রাজ্যপাল ভাষণ পড়তে শুরু করলে বিরোধীরা ওয়াক আউট করেন। তাঁরা বিধানসভার গেটের সামনে ধর্নায় বসেন। গত সপ্তাহে কেরল সরকার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত হয়ে যাঁরা ভারতে চলে এসেছেন, এমন ছ’টি সম্প্রদায়ের মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বিরোধীদের বক্তব্য, সংশোধিত আইনে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয়েছে।

```