
শেষ আপডেট: 7 December 2019 08:34
এরই মধ্যে কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিসিয়েটিভের বরিষ্ঠ পরামর্শদাতা মাজা দারুওয়ালা এবং পিপলস ওয়াচের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরি তিফাঙ্গে একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন যাতে ওই দেহগুলিকে অটপ্সি করার জন্য সংরক্ষিত করা হয়। তাঁরা চান, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানার বাইরের চিকিৎসকরা অটপ্সি করুন।
আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন তুলছে যে এটি গুলি বিনিময়ের ফলে মৃত্যু নাকি পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু। তাই তারা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অনুরোধ করেছে পিইউসিএল (পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল সার্ভিস) গাইডলাইন অনুসরণ করা হয় এবং তাদের প্রকৃত ঘটনা কী তা জানার জন্য যাতে কমিশন দ্রুত নিজেদের প্রতিনিধি পাঠায়। ওই চার অভিযুক্তই নিরস্ত্র ছিল, এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কথা হচ্ছে সে কথাও উল্লেখ করেছেন আবেদনকারীরা।
ওই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বয়ানের মধ্যেও সাজুয্যের অভাব রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে এনকাউন্টার হয়েছে ভোররাত ৩.৩০-এ, সেখানে ,পরে পুলিশ জানায় যে সকাল ৬টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। সাইবারাবাদের পুলিশ কমিশনার সিভি সজ্জনার বলেন, মহম্মদ আরিফ নামে অন্যতম অভিযুক্ত প্রথমে গুলি চালায়, ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি সে পুলিশের থেকেই ছিনিয়ে নিয়েছিল এবং সেটি ‘আনলকড’ অবস্থায় ছিল। প্রথমে পুলিশ পাথর ছুড়ে ও লাঠি দিয়ে তাকে নিরস্ত্র করার চেষ্টা করে। ঘটনার পুনর্নিমাণ করাতেই পুলিস তাদের অকুস্থলে নিয়ে গিয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শী ছাড়া এই ঘটনার অন্য কোনও প্রমাণ নেই।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যাতে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এতে হস্তক্ষেপ করে এবং বিস্তারিত ফরেনসিক রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়, সেই অনুরোধও করেছেন আবেদনকারীরা।
সূত্রের খবর, এই ঘটনায় তেলঙ্গনা সরকারের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, পুলিশের হেফাজতেই যেহেতু মৃত্যু হয়েছে সেজন্য নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রেকের মাধ্যমে এই রিপোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে পাঠাতে হবে।