Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জ্যান্ত পুড়ে মারা যাচ্ছে অসংখ্য কোয়ালা! অস্ট্রেলিয়ার দাবানল নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রাণী বিশেষজ্ঞরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে মাইলের পর মাইল বনাঞ্চল। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে রয়েছে আকাশ। তিন দিন ধরে জ্বলার পরে ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দাবানলের প্রকোপ। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস এলাকার এই ভয়াবহ দাবানলে যেটা

জ্যান্ত পুড়ে মারা যাচ্ছে অসংখ্য কোয়ালা! অস্ট্রেলিয়ার দাবানল নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রাণী বিশেষজ্ঞরা

শেষ আপডেট: 31 October 2019 12:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে মাইলের পর মাইল বনাঞ্চল। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে রয়েছে আকাশ। তিন দিন ধরে জ্বলার পরে ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দাবানলের প্রকোপ। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস এলাকার এই ভয়াবহ দাবানলে যেটা সবচেয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে, তা হল অসংখ্য কোয়ালা পুড়ে মারা যাচ্ছে এই আগুনে। কারণ অস্ট্রেলিয়ার এই অরণ্য কোয়ালাদের অন্যতম বড় একটি বাসস্থান। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ২০০০ হেক্টর এলাকা ছারখার হয়ে গিয়েছে দাবানলে। প্রশাসন থেকে প্রাণী বিশেষজ্ঞ সকলেরই আশঙ্কা, এত দিন ধরে এই দাবানল যে তীব্রতায় ধ্বংসের পরিমাণ বাড়াচ্ছে, তাতে শয়ে শয়ে কোয়ালা ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পোর্ট ম্যাককারির দক্ষিণে লেক ইনস এবং লেক ক্যাথি সংলগ্ন এলাকায় চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে আগুনের তীব্র ঝলকানি। মনে করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ চমকানোর জেরে আগুন ধরে যায় বনের একটি অংশে। তা থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত মঙ্গলবার। ক্রমে ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠেছে দাবানল। পোর্ট ম্যাকাকারিতেই রয়েছে কোয়ালাদের বিশেষ হাসপাতাল। ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই এলাকাতেই ছিল, কোয়ালাদের একটি অন্যতম প্রজনন ক্ষেত্র। হাসপাতালের ডিরেক্টর সু অ্যাসটনের কথায়, "কোয়ালাদের বৈশিষ্ট্য হল এদের জিনগত বৈচিত্র্য। এরা জাতীয় সম্পদ। এদের একটা বড় সংখ্যক যদি এ ভাবে মারা যায়, তাহলে তা নিঃসন্দেহে বড় ক্ষতি। কোয়ালাদের উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু পুরোপুরি কাজ শেষ হতে এখনও দুয়েক দিন লাগবে। ততদিনে আরও কিছু কোয়ালা মারা যাবে।" বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাবানল থেকে বাঁচতে মোটেও দক্ষ ও ত্রস্ত নয় এই প্রাণীরা। আগুন লেগেছে টের পেলেই এরা ঝটপট কোনও বড় গাছের মগডালে উঠে পড়ে। আর তার পর সেই ডাল জড়িয়েই পড়ে থাকে। ফলে সাধারণত, বড় মাপের অগ্নিকাণ্ড না হলে আগুনের শিখা ছুঁতে পারে না তাদের। কিন্তু যদি দাবানলের তীব্রতা বাড়ে, সে ক্ষেত্রে জীবন্ত পুড়ে মারা যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না তাদের। পালাতে পর্যন্ত পারে না তারা। দেখুন ভিডিও। https://www.facebook.com/koalahospital/videos/2477998252456794/?v=2477998252456794 আবার অনেক সময়ে এমনও হয়, গাছের মগডালে উঠে কোনও রকমে প্রাণে বাঁচলেও গাছ থেকে নামতে গিয়ে নিজেদের নরম থাবা, নখ পুড়িয়ে ফেলে তারা। এর ফলে এতটাই জখম হয়ে যায়, যে পরে ফের অগ্নিকাণ্ডের থেকে বাঁচতে গিয়ে আর গাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতাটুকুও থাকে না। খাতায়-কলমে কোয়ালা এখনও বিপন্ন তালিকাভুক্ত নয়। কিন্তু যে ভাবে অরণ্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তাতে কোয়ালাদের জীবন নিঃসন্দেহে বিপন্ন। দমকল জানিয়েছে, এখনও আগুন জ্বলছে বিভিন্ন জায়গায়। ফলে কোয়ালাদের কতটা ক্ষতি হল, কতই বা বাঁচল, তার আন্দাজ পেতে আরও কিছু সময় লাগবে প্রশাসনের।

```