
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 11 November 2024 12:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তঃরাজ্য শিশুপাচার চক্রের পর্দাফাঁসের ঘটনায় নতুন তথ্য় সিআইডির হাতে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সোশাল মিডিয়ায় চাইল্ড অ্য়াডাপশন গ্রুপ বলে একটি গ্রুপ খোলা হয়েছিল। তার মাধ্য়মেই শিশু পাচার চক্র চালাত পাণ্ডারা।
তদন্তে নেমে সিআইডি-র দাবি, 'বেআইনিভাবে বাচ্চা নিতে যাঁরা ইচ্ছুক তাঁদের অ্যাড হতে আবেদন জানানো হত এই গ্রুপে। জানা যাচ্ছে 'আবেদনের ভিত্তিতে যাচাই করার পর তাঁদের গ্রুপে অ্য়াড করা হত'।
শুধু তাই নয়, আবেদনকারীদের আগে বিশ্বাসযোগ্য়তা প্রমাণ করতে হত। সেই বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারলেই তাঁদের হোয়াটসঅ্য়াপ নম্বর দেওয়া হত। তারপর আবেদনকারীদের তথ্য় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া হত, টাকার ডিল করা হত। সিআইডি সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাজ্য়ের শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্তরা এই হোয়াটসঅ্য়াপ গ্রুপে ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২ দিনের শিশুকে ভিনরাজ্য থেকে এ রাজ্যে এনে পাচার করতে গিয়ে সিআইডির জালে দু'জন ধরা পড়ে। অভিযুক্তরা বেহালার ঠাকুরপুকুরের বাসিন্দা। ঘটনা হাওড়ার শালিমারের। স্টেশন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
নিঃসন্তান দম্পতি সেজে সিআইডি আধিকারিকরা যোগাযোগ করেছিলেন অভিযুক্ত মানিক হালদার ও তার স্ত্রী মুকুল সরকারের সঙ্গে। শিশু নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হলে রফা হয় চার লাখ টাকায়। এরপর গয়া থেকে শিশুকন্যাটিকে নিয়ে আসা হয় এরাজ্যে।
শালিমার স্টেশনে শিশু-সহ ওই দম্পতি নামলেই তাদের ধরে ফেলেন সিআইডি আধিকারিকরা। গ্রেফতার করা হয় ওই দু'জনকে।