
শেষ আপডেট: 28 August 2024 13:33
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: রেল অবরোধ তুলতে তৃণমূল আসরে নামতেই হিন্দমোটর স্টেশনে শুরু হয়ে যায় খণ্ডযুদ্ধ। অভিযোগ, প্ল্যাটফর্মে ফেলে পেটানো হয় এক আন্দোলনকারীকে। মাথা ফাটে ওই বিক্ষোভকারীর।
বুধবার এগারোটা থেকে হিন্দমোটর স্টেশন অবরোধ করেন বিজেপি সমর্থকরা। ট্রেন থামিয়ে চলে অবরোধ। এই সময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভায় যোগ দিতে কলকাতা যাওয়ার জন্য স্টেশনে আসছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। তারা অবরোধকারীদের হঠাতে গেলে দু'পক্ষের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। মারে মাথা ফাটে এক বিজেপি সমর্থকের। ঘটনাস্থলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যত দর্শক হয়ে যায়।
বনধ সফল করতে এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নামে বিজেপি কর্মীরা। শ্রীরামপুরের পেয়ারাপুরে দিল্লি রোড মোড় অবরোধ করেন তাঁরা। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে অবরোধ। প্রচুর যানবাহন দাঁড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সেই সময় বাইক নিয়ে পিয়ারাপুরে হাজির হন তৃণমূল কর্মীরা। শুরু হয় বনধের বিরুদ্ধে মিছিল। দিল্লি রোডের পিয়ারাপুরের কাছে মিছিল আসতেই বনধ সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতি শুরু হয়। পুলিশের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের কর্মীরা। আহত হন দু পক্ষের বেশ কয়েকজন। পরে শ্রীরামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দু-পক্ষকে বুঝিয়ে দিল্লি রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
বিজেপির যুব সংগঠনের রাজ্যের মুখপাত্র হরি মিশ্র বলেন, "আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে নির্মমভাবে খুন করা হয়। তার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ নবান্ন অভিযানের ডাক দেয়। আন্দোলনকারীদের রুখতে অকথ্য অত্যাচার চালায় পুলিশ। তার প্রতিবাদে আজকে বনধ চলছে। আমরা রাস্তা অবরোধ করি। সেই সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এসে আমাদের উপর হামলা চালায়।"
তৃণমূল নেতা সাগর সিং বলেন, "বিজেপির ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ সম্পূর্ণ বেআইনি। এই বনধের কোনও যুক্তি নেই। আজ রাস্তা অবরোধ করে বিজেপির গুন্ডাবাহিনী। তার প্রতিবাদ করতে গেলে বিজেপি কর্মীরা চড়াও হয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।" বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের উপর হামলার দায় চাপিয়েছে।