
চপ বিক্রেতা বাবু - নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 18 December 2024 19:52
বাঙালি বরাবরই তেলেভাজার ভক্ত। সন্ধে হলেই তেলেভাজার দোকানে ভিড় করে। মুড়ির সঙ্গে চাই চপ, বেগুনি, ফুলুরি। কিন্তু বাবুর দোকানে ভিড় জমে 'বোমা চপ' খেতে। এই চপ এতই 'ধামাকেদার' যে নবান্ন থেকেও অর্ডার আসে বাবুর কাছে!
হাওড়ার ডুমুরজলা হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডের পিছনেই চারাবাগান এলাকা উদয়ন ক্লাবের সামনেই রয়েছে বাবু ওরফে গৌতম টাকির চপের দোকান। বিকেল তিনটে থেকে জোগাড় শুরু হয়। চারটে থেকে শুরু হয় বেচা-কেনা। রাত এগারোটা পর্যন্ত দোকানে ভিড় থাকে। প্রতিদিন ২৬ রকমের চপ ভাজেন বাবু।
ক্রেতাদের অধিকাংশ বলছেন, অন্য অনেক দোকানে বিভিন্ন ধরণের চপ পাওয়া যায়। কিন্তু বাবুর হাতে তৈরি 'বোমা চপ'-এর স্বাদ একেবারেই আলাদা। তাঁদের দাবি, ৩২ বছর বয়স এই দোকানের। কিন্তু এত বছরেও খাবারের গুণগত মানে কোনও বদল আসেনি।
আট বছর বয়স থেকে এই দোকান চালিয়ে আসছেন বাবু। প্রথমে মা-দাদুর সঙ্গে দোকানে থাকতেন। পরে একাই তার হাল ধরেন। তবে ছেলেকে এখনও সাহায্য করেন তাঁর মা। গুমটি দোকানেই এতগুলি বছর ধরে চপ বিক্রি করছেন তাঁরা।