
চন্দননগরে জবরদখল সরানো হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 27 July 2024 17:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই রাজ্যজুড়ে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন পুর এলাকায় প্রথমে নোটিস দিয়ে এবং মাইকে প্রচার করে জায়গা ছাড়ার জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
এক মাস সময়সীমায় অনেকেই নিজে থেকেই দখল করা জায়গায় দোকান এবং কংক্রিটের স্ল্যাব তুলে নেয়। যারা তুলে নেয়নি তাদের কংক্রিটের স্ল্যাব এবং দোকানের শেড ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটে দিয়ে দখল মুক্ত করার কাজ শুরু করল প্রশাসন। শনিবার চন্দননগর পুর এলাকার তালডাঙার বড় দিঘির ধার এলাকা দখল মুক্ত করার কাজ শুরু হয়।দখলমুক্ত করার কাজে দ্বিচারিতারও অভিযোগ ওঠে।
এক ছোটো ব্যবসায়ী গোপাল নন্দীর অভিযোগ ১৫০ বছরেরও বেশি পুরনো কংক্রিটের স্ল্যাব কোনও অসুবিধা করছিল না তা সত্ত্বেও হাতুড়ি দিয়ে মেরে সেই স্ল্যাব ভেঙে দেওয়া হয়। কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার আশিস ভৌমিক দাবি করেন, ফুটপাত দখল মুক্ত করার কাজ চলছে। অস্থায়ী দখল সরানো হচ্ছে পুরসভার নির্দেশে। রাস্তা পরিষ্কারের জন্য কাজ চলছে। এই অভিযোগটা একেবারেই ঠিক নয়।
জবরদখল রুখতে হকার অভিযান এক মাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে চলে হকার সমীক্ষা। শনিবার সেই এক মাস পূর্ণ হওয়ার পর প্রস্তুত প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা রিপোর্ট। দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা করতে ইতিমধ্যে রাজপথে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।