
শালিমারে অশান্তি থামাতে টহল পুলিশের
শেষ আপডেট: 3 November 2024 00:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্কিং ও এলাকা দখলকে কেন্দ্র ফের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার শালিমার। সূত্রের খবর, সংঘর্ষের ঘটনায় ইতিমধ্যে ৬ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় নামানো হয়েছে র্যাফ। ঘটনায় ইতিমধ্যে চার জনকে আটক করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ।
শনিবার রাত ৮টা নাগাদ দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা বেধে যায়। খবর পেয়ে হাওড়া সিটি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পার্কিং ও এলাকা দখলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। পরিষ্কার জানিয়েছে, এটা সামান্য একটা মোবাইল দোকানে ঝামেলা। পরে পরিস্থিতি কিছুটা অশান্ত হয়ে পড়ে। পুলিশ পরিস্থিতির সামাল দিয়েছে। এখন আর কোনও সমস্যা নেই।
পুলিশ সূত্রে খবর, দোকানদার ও বিক্রেতার মধ্যে আগে থেকেই শত্রুতা ছিল। এদিন সন্ধেবেলা সে কারণেই বাধে গণ্ডগোল। দুজনের মধ্যে প্রথমে ঝামেলা শুরু হলেও পরে তা দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। অশান্তির জেরে এখনও থমথমে গোটা এলাকা। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। টহলদারি চলছে র্যাফের।
পুলিশের দাবি অস্বীকার করে স্থানীয়দের অভিযোগ, এদিন শালিমারের স্টেশন এলাকা ও ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এর দখলদারি ঘিরেই এই সংঘর্ষ। মদ্যপ কিছু যুবকের সঙ্গে প্রথমেই গোলমাল বাঁধে। পরে অশান্তি চরমে ওঠে।
অভিযোগ, এরপরই মদ্যপ যুবকেরা বাড়ি ও দোকানে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বাধা দিতে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাড়া করার অভিযোগও ওঠে।
শালিমারে এমন অভিযোগ একেবারেই নতুন নয়। গত জুন মাসেও স্টেশন লাগোয়া পার্কিং জোন কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে দুই গোষ্ঠী অশান্তিতে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সামনেই পরপর বাড়ি, গাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয়। ঘরে ঢুকে মহিলাদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় জখম হন কমপক্ষে ১০ জন। অভিযোগ উঠতেই খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাওড়া পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন। তাতেও লাভের লাভ কিছুই হল না, চার মাস কাটতে না কাটতে ফের অশান্ত হয়ে উঠল হাওড়ার এই এলাকা।