
পুলিশকে হেনস্থা করায় ধৃত বিজেপি নেত্রী
শেষ আপডেট: 4 September 2024 14:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: সোমবার গোটা রাজ্যে জেলাশাসকের দফতর অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। ওইদিন হুগলির জেলাশাসকের দফতরে যৌথভাবে অভিযান করেন বিজেপির হুগলি ও শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার নেতা কর্মীরা। মিছিল করে ঘড়ির মোড়ে এসে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। ব্যারিকেডে আটকে দেওয়া হয় বিক্ষোভ মিছিল। সেখানেই পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, পুলিশের বাধার মুখে পড়ে বিজেপি নেত্রী পম্পা অধিকারী জুতো হাতে তুলে পুলিশকে দেখান। এরপর সেই জুতো পুলিশের ভিড়ে ছুঁড়ে মারেন।
পম্পা বিজেপি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক। রিষড়া তিন নম্বর জলের ট্যাঙ্ক এলাকায় তাঁর বাড়ি। তাঁর স্বামী বলাই অধিকারী জানান, বুধবার ভোরে পুলিশের তিনটে গাড়িতে প্রচুর পুলিশ গিয়ে পম্পাকে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারেন চুঁচুড়া মহিলা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।
বিজেপির দাবি, শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তাঁরা। পম্পাকে অন্যায়ভাবে ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূ্ত্রে জানা গেছে, পম্পার বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, বেআইনি জমায়েত করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশে জড়ো হওয়া সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত নেত্রীকে এদিন চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হয়।
বিজেপি নেত্রীর গ্রেফতারের খবর পেয়ে চুঁচুড়া মহিলা থানায় হাজির হন বিজেপি নেতৃত্ব। হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, "সেদিন অনেকেই বিক্ষোভে ছিলেন। তাহলে পম্পাকে কেন গ্রেফতার করা হল। আমরা আইনি লড়াই লড়ব।" হুগলির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সকালেই এই খবর শুনেছি। যারা আরজি করে এত বড় ঘটনা ঘটাল, তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর যারা এর প্রতিবাদ করছে, তাদের বেছে বেছে গ্রেফতার করছে পুলিশ। এভাবে চলতে পারে না।"