গ্রাহকের নাম, প্যান নম্বর, আধার কার্ডের নম্বর, ডেট অফ বার্থ, মোবাইল নম্বর, ইমেল অ্যাড্রেস, অ্যাকাউন্ট নম্বর, আইএফএসসি কোড, সিআইএফ নম্বর, ডেবিট কার্ড নম্বর, কার্ডের মেয়াদ ফুরোনোর তারিখ, সিভিভি, পিন কোড-- এই সব তথ্যই হাতিয়ে নিতে পারে ম্যালওয়্যারটি।
ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে হাতায় এই ডিরিঙ্ক
গ্রাহক তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ামাত্রই ওই ম্যালওয়্যারের তরফে জানানো হয়, গ্রাহক ইনকাম ট্যাক্সের রিফান্ড-বাবদ একটি পরিমাণ টাকা পেতে চলেছেন। সে জন্য গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস চেয়ে নেয় ওই অ্যাপ। সে সব দেওয়ার পরে 'ট্রান্সফার' বোতাম টেপামাত্র 'এরর' দেখায় ওই অ্যাপ। সেই সঙ্গে দেখায়, স্ক্রিনটি আপডেট হচ্ছে। আর ইতিমধ্যেই ওই ম্যালওয়্যার ব্যাকএন্ডে গ্রাহকের তথ্য পাঠাতে থাকে প্রতারকের কাছে।
সিইআরটি জানাচ্ছে, এর পরেই প্রতারকরা তথ্যগুলি ব্যবহার করে গ্রাহকের মোবাইলে ব্যাঙ্কিং পদ্ধতির অ্যাকসেস পেয়ে যাচ্ছে।
কীভাবে নিরাপদে থাকবেন এই ম্যালওয়্যার থেকে
সিইআরটি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর ছাড়া অন্য কোনও জায়গা থেকে যাতে কোনও অ্যাপ ডাউনলোড না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। গ্রাহকদের অনুরোধ করা হয়েছে, 'গুগল প্লে স্টোর' বা ওই ধরনের কোনও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্টোর ছাড়া অন্য কোনও জায়গা থেকে কোনও অ্যাপ বা সফ্টওয়্যার না ডাউনলোড করতে।
ইনস্টল করার আগে খুঁটিয়ে দেখতে হবে
যে কোনও অ্যাপ ফোনে ডাউনলোড করলে, এমনকি তা যদি গুগল প্লে স্টোর থেকেও হয়, তাহলেও তা ফোনে ইনস্টল করার আগে ভাল করে খুঁটিয়ে দেখতে হবে। পড়তে হবে অ্যাপটির সম্পর্কে কী কী তথ্য রয়েছে। কতবার অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়েছে, সেটিও দেখতে হবে। গ্রাহকদের রিভিউ, মন্তব্যগুলিও ভাল করে পড়ে দেখা দরকার।
ঢালাও অনুমতি নৈব নৈব চ
ফোনের কোনও অ্যাপ যদি কোনও তথ্য ব্যবহার করার অনুমোদন চায়, তা 'অ্যালাও' করার আগে দু'দণ্ড থামুন, দেখুন কেন, কোন কোন তথ্যের অ্যাকসেস চাওয়া হচ্ছে। অ্যাপটি ব্যবহারের সঙ্গে সেই তথ্যগুলির কোনও প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে কিনা, সেটা দেখে নিন। সন্দেহ হলে 'ডিনাই' করুন।
কী কী করবেন, একনজরে
- কোনও সন্দেহজনক লিঙ্ক খুলবেন না
- এসএমএস বা মেল মারফত আসা ব়্যান্ডম কোনও লিঙ্ক নিয়ে সতর্ক হতে হবে
- অচেনা ও অদ্ভুত ধরনের কোনও নম্বর থেকে ফোন এলে সাবধান হন
- কোনও ইউআরএল যদি ছোট অবস্থায় আসে (বিট.লি বা টাইন্যুরাল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে), তাহলে সেখানে কার্সর রেখে গোটা ইউআরএলটি বুঝে নিতে হবে আগে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'