
তামিলনাড়ুর রেল দুর্ঘটনা।
শেষ আপডেট: 12 October 2024 13:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার রাতে তামিলনাড়ুর কাভারাপেট্টাই স্টেশনের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়র পিছনে এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যুর ঘটনা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। জখম হয়েছেন ১৯ জন। তবে ফের একই লাইনে দুটি ট্রেন কীভাবে চলে এল, তা নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে রেল সুরক্ষা।
দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে রেলের তরফ থেকে যে তথ্য সামনে আনা হয়েছে, তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাধারণ রেল যাত্রীদের মধ্যে।
শনিবার দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের তরফে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ট্রেন নং ১২৫৭৮ মহীশূ ডিব্রুগড় বাগমতী এক্সপ্রেসকে এলএইচবি কোচ তিরুভাল্লুর জেলার পোনেরি স্টেশন অতিক্রম করার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল। ট্রেনটি কাভারাইপেট্টাই স্টেশনে প্রবেশ করার সময় একটি ঝাঁকুনি হয়। সেই সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রধান লাইনে যাওয়ার পরিবর্তে, ট্রেনটি লুপ লাইনে চলে যায়। লুপ লাইনে আগে থেকেই দাঁড়িয়েছিল একটি মালগাড়ি।
রেল সূত্রের খবর, ঘণ্টায় এক্সপ্রেস ট্রেনটির গতি ছিল ৭৫ কিমি। ফলে চালক চাইলেও সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনটি থামাতে পারেননি। কারণ, আচমকা ব্রেক কষলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
স্বভাবতই এদিনের দুর্ঘটনা ফিরিয়ে এনেছে উত্তরবঙ্গের রাঙাপানি স্টেশনের কাছে গত জুনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার স্মৃতি। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে রেলের সিগনালিং ব্যবস্থা। প্রশ্ন উঠছে, আগামীদিনেও যে এভাবে একই লাইনে দুটি ট্রেন একই লাইনে চলে আসবে না, তার গ্যারান্টি কোথায়?
রেল সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত ৮টা ৫০ মিনিট নাগাদ চেন্নাইয়ের অদূরে কাভারাপেট্টাই রেল স্টেশনের কাছে ১২৫৭৮ মহীশূর-দ্বারভাঙা বাগমতী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রেলওয়ে স্টেশনের কাছে মালগাড়িটি দাঁড়িয়ে ছিল। সে সময় দ্রুতগতির বাগমতী এক্সপ্রেস মালগাড়িটিকে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের কারণে ট্রেনের বেশ কয়েকটি বগি ছিটকে যায়। আগুন লেগে যায় দু’টি কামরায়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল।