
শেষ আপডেট: 19 February 2023 05:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুধু বাবা, ভাই বা বন্ধুরা নয়, নিক্কি যাদব (Nikki Yadav) খুনে (murder) অভিযুক্ত সাহিল গেহলটকে (Sahil Gehlot) সাহায্য করেছিলেন দিল্লি পুলিশের (Delhi COP) এক কনস্টেবলও। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে এমনই তথ্য জানতে পারল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, নিক্কি যাদবকে খুন করার পর তাঁর দেহ লুকোতে সাহায্য করেছিলেন সেই কনস্টেবল।
জানা গেছে, সাহিলের এক তুতো ভাই-ই পেশায় দিল্লি পুলিশের কনস্টেবল। নিক্কিকে খুন করার পর সাহিল যখন ভাবছিল সেই দেহ কোথায় লুকোবে, সেইসময় মুশকিল হয়ে দেখা দেন তিনি। দেহ লোপাটে সাহিলকে সহযোগিতা করেন তিনি, এমনই অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, বহুদিন ধরে পরিকল্পনা চালানোর পরই খুন করা হয়েছে নিক্কিকে। একইসঙ্গে সাহিলকে জেরা করে দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পারেন, বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরই সেই দেহ ধাবা থেকে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনাও সেরে ফেলেছিলেন সবাই।
পুলিশ মনে করছে, সাহিল ভেবেছিল তার তুতো ভাই যেহেতু পুলিশেই কাজ করেন, তাই সহজেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া যাবে। কিন্তু শেষ অবধি তা হয়নি। সাহিল এবং নিক্কির পরিচিত এক বন্ধুই খুনের ঘটনার যথা দিল্লি পুলিশকে বলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ের আসরে সাহিলকে দেখে কোনও কারণে সন্দেহ হয়েছিল তাঁর। এরপরই পুলিশ এসে সাহিলকে জেরা করে গোটা ঘটনা জানতে পারে।
শনিবারই পুলিশ জানতে পেরেছিল যে, ২০২০ সালে নিক্কির সঙ্গে নয়ডার এক মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন সাহিল গেহলট। কিন্তু এতে একেবারেই খুশি ছিলেন না সাহিলের বাড়ির লোকজন। এরপর নিক্কিকে যখন খুন করা হয়, সেই হত্যাকাণ্ডে সামিল ছিলেন সাহিলের বাড়ির বাবা, ভাইরাও। এরপরই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তদের।
ধরা পড়ার পর থেকেই পুলিশি জেরায় একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছে সাহিল। নিক্কি হত্যার ষড়যন্ত্রে তার বাবা, ভাইও যে জড়িত ছিল, তা তদন্তকারী দলের কাছে জানিয়েছে সাহিল নিজেই। এরপরই সাহিলের বাবা অভিযুক্ত বীরেন্দ্র সিং গেহলট এবং তার ভাইকে তুলে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয়।
নিক্কি যাদব খুনে জড়িত সাহিলের বাবা! ২০২০ সালে বিয়েও করেছিলেন দু'জন, জানাল দিল্লি পুলিশ