
শেষ আপডেট: 2 February 2024 15:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২২ সালের প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় বিএড ও ডিএলএড থাকা পরীক্ষার্থীদের প্যানেলে অংশগ্রহণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালত জানিয়েছে, প্রাথমিক বোর্ডকে নিয়োগের খাতিরে অনেক কিছু বাধা পার হতে হয়েছে। তবুও একজন নাগরিককে সরকারি পরীক্ষায় সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।
বুধবার ১১ হাজার ৭৫৮টি শূন্যপদের মধ্যে ৯ হাজার ৫৩৩ পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু তার ঠিক একদিন পরেই হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে এই নিয়ে নতুন মামলা হয়। শুক্রবারের শুনানিতে বিচারপতি জানান, মামলাকারী পরীক্ষার্থীর জন্য আলাদা মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে দেখতে হবে তারা প্যানেলে সুযোগ পান কিনা। বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বোর্ড তাদের নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোর।
যদিও বোর্ডের যুক্তি, এনসিটিই অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের যোগ্যতা বেঁধে দেওয়া হয় প্রথম বিজ্ঞপ্তিতেই। বিএড কখনই প্রাথমিকের ক্ষেত্রে যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হত না। মামলাকারীরা ২০২৩ সালের শীর্ষ আদালতের রায়ের পর আদালতে আসতে পারতেন।
মঙ্গলবার প্রাথমিকের ২০২২ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেয় সুপ্রিম কোর্ট। এই সংক্রান্ত মামলায় রায় দিয়ে আদালত জানিয়েছিল, বিএড ডিগ্রি নিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। ডিএলএড ডিগ্রির চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করতে হবে। তবে বিএড এবং ডিএলএড দুই ডিগ্রি থাকা চাকরিপ্রার্থীরাই আদালতের দ্বারস্থ হন।
সুমন্ত কোলে সহ ১০ পরীক্ষার্থী এই মামলা করেছিল। তাদের বক্তব্য, বিএডে অনেক বেশি নম্বর ছিল। তাই সেটি উল্লেখ করা হয়। সব মামলাকারী পরীক্ষায় বসেছিল। সবাই পরীক্ষায় পাশ করেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বোর্ড। সেখানে বিএড বাতিল বলে গণ্য করা হয়নি। কিন্তু এরপর বিএড বাতিল করে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট রায়ের পর ৩১ জানুয়ারি মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে বাদ দেওয়া হয় মামলাকারীদের নাম।