Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?

মুর্শিদাবাদের নিহত পরিবারের আর্জি শুনল না সিঙ্গল বেঞ্চ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির কাছে

মুর্শিদাবাদের নিহতদের পরিবারের মামলাটি প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

মুর্শিদাবাদের নিহত পরিবারের আর্জি শুনল না সিঙ্গল বেঞ্চ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির কাছে

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 6 May 2025 12:41

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জোড়া খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত (CBI) হোক। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়ে এমনই দাবি করেছিলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিহতদের পরিবার। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। কিন্তু সেই মামলার শুনানি হল না। মৃতদের পরিবারের বক্তব্য শুনলেন না বিচারপতি। 

মুর্শিদাবাদের নিহতদের পরিবারের মামলাটি প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। কারণ সেই বেঞ্চেই মুর্শিদাবাদের অশান্তি সম্পর্কিত মামলার শুনানি হচ্ছে। তাই আলাদা করে এই সংক্রান্ত মামলা শুনতে চাইলেন না বিচারপতি ঘোষ। 

ওয়াকফ অশান্তির জেরে মুর্শিদাবাদে মৃত্যু হয়েছিল পিতা-পুত্র হরগোবিন্দ এবং চন্দন দাসের। তাঁদের পরিবারের তরফেই সম্প্রতি পুলিশের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ করা হয়েছে। দাবি, পুলিশ তাঁদের হেনস্থা করছে। শুধু তাই নয়, জোড়া খুনের ঘটনার তদন্তে পুলিশের ওপর তাঁদের আস্থা নেই বলে জানানো হয়েছে। তাই মৃতের পরিবার চায় এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করুক। পাশাপাশি, তাঁদের যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হয়, কলকাতা হাইকোর্টে সেই আর্জিও জানানো হয়েছিল।  কিন্তু তীর্থঙ্কর ঘোষ সেই মামলা শুনবেন না বলে স্পষ্ট করেছেন।

হরগোবিন্দ এবং চন্দনের স্ত্রীরা মুর্শিদাবাদ ছেড়ে কলকাতায় চলে এসেছেন। বিজেপির তরফ থেকে তাঁদের সল্টলেকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ তাঁদের জোর করে জেলায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। এই প্রেক্ষিতেই হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। পুলিশের বিরুদ্ধে এও অভিযোগ উঠেছে, সোমবার সকালে তাঁদের সল্টলেকের বাড়িতে দরজা ভেঙে ঢোকে পুলিশ। জোর করে মৃতদের স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে, নিহতদের পরিবার যারা কলকাতায় রয়েছেন তাঁদের জেলা থেকে অপহরণের করা হয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁদের কাছে। তাই তাদের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতেই মূলত মুর্শিদাবাদের পুলিশ এসেছে। এর সঙ্গে নিরাপত্তাহীনতার কোনও সম্পর্ক নেই। 


```