
শেষ আপডেট: 11 October 2023 20:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হল হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে। পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গা পুজোকে ঘিরে রেল যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই বাড়তি বন্দোবস্ত।
শুধু রেল স্টেশনগুলিতেই নয়, রেল লাইনের ধারে ঘনবসতিপূর্ণ যে এলাকাগুলিতে পুজো হচ্ছে, সেখানকার রেললাইনের ধারেও পুজোর ক’দিন ২৪ ঘণ্টা প্রহরী মোতায়েন করা হবে। দুর্ঘটনা এড়াতেই এমন পদক্ষেপ বলে রেল সূত্রে খবর। একই সঙ্গে পুজোর সময় রেল স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের ভিড়ও সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি থাকে। তাই স্টেশনগুলির পরিচ্ছন্নতার দিকেও বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রেল সূত্রের খবর।
কয়েক বছর আগে দশেরার অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে পঞ্জাবে ট্রেনে কাটা পড়ে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আরপিএফের পূর্ব রেলের আইজি পরমশিব বলেন, “রেল লাইনের ধারে থাকা মন্ডপগুলিতে মাইকের আওয়াজের ফলে অনেক সময় ট্রেনের শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না। ফলে ছোটো দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। পঞ্জাবের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে তাই পুজোর কদিন রেল লাইন সংলগ্ন মন্ডপগুলির প্রতি বাড়তি নজরদারির বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।”
একই সঙ্গে নাশকতা রুখতে শিয়ালদহ, হাওড়া সহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আরপিএফের পূর্ব রেলের আইজি। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে ‘অ্যান্টি স্যাবোতাজ’ চেকিং। বাড়ানো হচ্ছে সিসিটিভির নজরদারির। অপরাধ ঠেকাতে তল্লাশির পাশাপাশি ভিড়ে মিশে থাকছেন সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মীরাও। মহিলাদের সুবিধার্থে সক্রিয় থাকছে আরপিএফের ‘মেরি সহেলি’ বিভাগও।
চলন্ত ট্রেনে বা স্টেশনে অপরিচিতর কাছ থেকে পানীয় বা কোনও খাবার না খাওয়ার পরামর্শও দিচ্ছেন রেল কর্তারা। তাঁরা বলছেন, মাদক মিশ্রিত খাবার খাইয়ে হামেশাই যাত্রীদের সামগ্রী লুঠপাটের ঘটনা ঘটে। তাই নিরাপত্তা আঁটসাঁট করার পাশাপাশি জোর দেওয়া হচ্ছে সচেতনতাতেও।