
শেষ আপডেট: 4 May 2020 18:30
কোভিড সংক্রমণের মতোই ভয়ঙ্কর হেপাটাইটিস-সি রোগও। সংক্রামিত রক্ত থেকেই হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস ছড়ানোর ভয় থাকে। ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ থেকেও সংক্রমণ ছড়ায়। বহু থ্যালাসেমিয়া এবং হিমোফিলিয়া রোগী এর শিকার হন। দীর্ঘদিন হেপাটাইটিস-সি চিকিৎসা না করিয়ে রেখে দিলে তার জের হতে পারে মারাত্মক। সিরোসিস বা লিভার ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকিই বেশি। জার্মান গবেষকরা বলছেন, হেপাটাইটিস-সি এর ওষুধ যেমন সিমেপ্রেভির, পারিটাপ্রেভির, গ্র্যাজোফ্রেভির ও ভেল্পাটাসভিরের সার্স-কভ-২ ভাইরাল প্রোটিনের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে এই ওষুধগুলো কোভিড সংক্রমণ কমাতে কাজে দিতে পারে।
হেপাটাইটিস-সি এর ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কাজে দিতে পারে এমন অ্যানালিসিস করেছে সুপার কম্পিউটারই। করোনার গবেষণায় হাই-পারফরম্যান্ড সুপার কম্পিউটারকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে গোটা বিশ্বেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, উচ্চ প্রযুক্তির সুপার কম্পিউটার খুব দ্রুত ডেটা অ্যানালিসিস করতে পারে। ল্যাবরেটরিতে যে পরীক্ষা করতে দীর্ঘ সময় লাগবে সেই গবেষণার রিপোর্ট দ্রুত দিয়ে দেবে সুপার কম্পিউটার। জার্মান গবেষক টমাস বলেছেন, ৪০ হাজারের উপর কম্পাউন্ডের স্ক্রিনিং করে তার ডেটা বার করতে যে সময় লাগত, সেটা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে সুপার কম্পিউটারে। মাত্র দু’মাসের মধ্যে ৩০০ কোটি ডেটা অ্যানালিসিস করেছে সুপার কম্পিউটার ‘মোগন টু’ (MOGON II)।
ভারতেও কোভিড-১৯ গবেষণার কাজে সুপার কম্পিউটারের প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। তাদের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় কাজে লাগানো যেতে পারে হাই-পারফরম্যান্স সুপার কম্পিউটারকে। দিল্লি আইআইটি জানিয়েছে, সুপার কম্পিউটার PADUM এর মেধাকে কাজে লাগিয়ে গবেষণা চালাতে পারেন বিজ্ঞানীরা। এই মর্মে এক কোটিরও বেশি কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণ করে রাখার ব্যবস্থাও করা হবে।