
শেষ আপডেট: 6 August 2023 11:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত সোমবার থেকে অগ্নিগর্ভ হরিয়ানার একাধিক জেলা। নুহ, গুরুগ্রামের মতো বড় বড় শহরগুলিতে রীতিমতো থমথমে পরিস্থিতি (Gurugram Clash)। আগুন জ্বলছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে। এরমধ্যেই শুক্রবার নাগাদ হঠাৎ খবর ছড়ায়, নুহের নলহার মন্দিরে (Nuh Temple) আশ্রয় নেওয়া বেশ কয়েকজন মহিলাকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছে। তবে শনিবারের মধ্যেই সেই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিল পুলিশ (Haryana Cops)। একইসঙ্গে এই হিংসার ঘটনার সঙ্গে যে পাকিস্তানি যোগের খবর রটেছিল, সেটাও মিথ্যা বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন হরিয়ানার ডিজিপি পিকে আগরওয়াল।
অতিরিক্ত এডিজিপি মমতা সিং বলেন, ‘এমন কিচ্ছু ঘটেনি মন্দিরের ভিতরে। কোনও মহিলা যৌন হেনস্থার শিকার হননি। আমি নিজে সেখানে ছিলাম বলে জোর দিয়ে এ কথা বলতে পারছি। কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃত গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। এতে শহরগুলির পরিস্থিতি আরও সঙ্গীন হয়ে উঠবে।’ যারা গুজব ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এরপর তিনি আরও বলেন, জেলায় জেলায় হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় ইতিমধ্যে ২১৬ জনের কাছাকাছি ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। এরমধ্যে ৮৩ জনকে প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার করা হয়েছে, অর্থাৎ বিনা বিচারে আটক রয়েছে তারা। মূলত হিংসা ছড়ানো থেকে বিরত রাখতেই এমন পদক্ষেপ করেছে হরিয়ানা পুলিশ। এই হিংসার ঘটনা আগেই সাম্প্রদায়িক হানাহানির রূপ নিয়েছে। তারমধ্যেই মন্দিরের ভিতর মহিলাদের যৌন হেনস্থার খবর ছড়ানোয় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে এগোত। তার আগেই যদিও সাংবাদিকদের সামনে গোটা বিষয়টি খোলসা করে দিয়েছেন অতিরিক্ত এডিজিপি।
সংঘর্ষে আটকে পড়েন হিন্দু বাবা-ছেলে, আগলে রাখলেন মুসলিমরা! হরিয়ানায় সম্প্রীতির ছবি