
শেষ আপডেট: 14 February 2024 14:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: সঠিক নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে না। এমনই অভিযোগে উন্নয়নের কাজ বন্ধ করে দিলেন শাসক দলের কাউন্সিলর। তবে বিরোধীদের তোপ, কাটমানির ভাগ না পাওয়াতেই এমন ঘটনা।
হরিণঘাটা পুরসভার দু নম্বর ওয়ার্ডের শ্মশান ঘাটের সংস্কার, পুকুর বাঁধানো এবং রাস্তা তৈরির জন্য ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৬৩৬ টাকা বরাদ্দ করা হয়। টেন্ডার ডেকে দিপালী এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদার সংস্থাকে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল। পুজোর পরপর কাজ শুরু হলেও মাঝপথে কাজ ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুরসভার ওই দু নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাকেশ পারুইয়ের বিরুদ্ধে। রাকেশের দাবি, টেন্ডার পাওয়া থেকে কাজের গতি সবেতেই অনিয়ম হয়েছে। কাজ শুরুর পর তা নজরে এসেছে। তাই সব ঠিকঠাক না হলে কাজ করতে দেওয়া হবে না।
ঠিকাদার বিজয়কুমার পালের অভিযোগ, ‘‘কাউন্সিলর ভুল বুঝছেন এবং সিস্টেমের কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। কাউন্সিলর যেহেতু টেকনিক্যাল পার্সন নন, তিনি কিছুই না বুঝে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। আমি আমার কাজ ঠিকঠাকই করছিলাম। টেন্ডার পাওয়া থেকে শুরু করে কাজ করবার ক্ষেত্রে সবটাই নিয়মেই হয়েছে।’’
হরিণঘাটা পুরসভার পুরপ্রধান দেবাশিস বসু দাবি করেন টেন্ডারে কোনও অনিয়ম হয়নি। তিনি বলেন, ‘‘কাজের ক্ষেত্রে একটু অনিয়ম আছে। কিন্তু টেন্ডার প্রক্রিয়া সঠিক নিয়ম মেনেই হয়েছে। কাজের গুণগতমান ঠিক রাখলে তবেই আমরা পেমেন্ট দেব। অভিযোগ ঠিক নয়। সরকারি মনিটারিং এর মাধ্যমে এখানে কাজ হয়।’’
তবে বিরোধীদের বক্তব্য, তৃণমূল সঠিকভাবে কোথাও কাজ করে না যেখানেই কাজ করে সেখানেই কাটমানির অভিযোগ থাকে। স্থানীয় বিজেপি নেতা সুভাষ দাস বলেন, ‘‘এখানে কাউন্সিলরের ভাগে কম পড়েছে বলেই অভিযোগ করেছেন। সামান্য কাজ হওয়ার পরে বন্ধ রয়েছে সরকারি উন্নয়নের কাজ। সাধারণ মানুষের ক্ষতি। তাঁরা পরিষেবা পাচ্ছেন না।’’
সব মিলিয়ে উন্নয়নের প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক ডামাডোল তুঙ্গে উঠেছে হরিণঘাটায়।