
শেষ আপডেট: 18 June 2023 07:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজের ভাই ও এলাকার তিন প্রোমোটারকেই নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছিলেন হরিদেবপুরের সেই বৃদ্ধ। আত্মহত্যায় প্ররোচনার দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই। এবার হরিদেবপুরের ওই ঘটনায় মৃত গৌতম ঘোষের সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেফতার করল হরিদেবপুর থানা। আদালত সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তপন ঘোষ মৃত বৃদ্ধের ভাই। বাকি তিনজন প্রীতম দত্ত, সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুমন মুখোপাধ্যায় অভিযুক্ত প্রোমোটার।
শুক্রবার গঙ্গা থেকে গৌতমবাবুর পচাগলা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর পরিবার মৃতের জামা দেখে দেহ শনাক্ত করেন। এরপরই তিন প্রোমোটারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর শনিবার সকালে মৃতের ভাইকেও আটক করেন তদন্তকারীরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। স্বামীর সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এই চারজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মৃতের স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে দাবি, সুইসাইড নোটের ভিত্তিতেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু করে হরিদেবপুর থানা। এরপর চার ধৃতকে শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। সেখানে অভিযুক্তদের তিনদিন পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। পরে সরকারি আইনজীবী জানান, আপাতত গোটা বিষয়টির তদন্তের আওতায় রয়েছে। মৃতের সুইসাইড নোটটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এমনকী প্রয়োজনে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হতে পারে।
এদিকে মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে প্রাপ্য সম্পত্তির ভাগ দিতে অস্বীকার করেছিল সেই প্রোমোটাররা। আর প্রোমোটারদের সেই দাবিতে আরও ইন্ধন জুগিয়েছিল তাঁর দেওর তপন ঘোষ। সে জন্যই মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন গৌতমবাবু। যদিও শনিবার প্রথমে পুলিশ অভিযুক্তদের নাম জানাতে অস্বীকার করে। আদালত থেকে পরে সেই নাম জানানো হয়। অভিযুক্তদের নাম জানাতে কেন পুলিশ লুকোছাপা করেছে, সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
বর্ধমানে উলট পুরাণ! ২ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী সিপিএম