
শেষ আপডেট: 8 March 2023 08:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার হরিদেবপুরে রাস্তার পাশে এক অজ্ঞাতপরিচয় তরুণীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ জানতে পারে, মৃত তরুণীর নাম ডালিয়া চক্রবর্তী। তাঁর বাড়ি নরেন্দ্রপুরে। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ডালিয়াকে। এই ঘটনায় মঙ্গলবারই অরুণাভ পাত্র নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে দফায় দফায় জেরা করেই ডালিয়া খুনে (Haridevpur murder case) চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ।
মৃতার ফোনের কল রেকর্ড চেক করে পুলিশ। তাতেই জানা যায়, সোমবার অরুনাভ পাত্র নামে কারওর সঙ্গে কথা হয়েছিল ডালিয়ার। লাইভ লোকেশন ট্র্যাক করে মঙ্গলবার সন্ধেবেলা অরুণাভ পাত্রকে আটক (accused arrested) করে পুলিশ। তাঁকে জেরা করে, মৃতার ওড়না ও জুতো পাওয়া যায়। এরপর অরুনাভ স্বীকার করেন, ওই ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন ডালিয়াকে।
হরিদেবপুরে অরুণাভর একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া আছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অরুণাভ জেরায় জানিয়েছেন, নিজের ভাড়ার ফ্ল্যাটেই ডালিয়াকে খুন করেন তিনি। তারপর এক বন্ধুকে ডাকেন। তাঁর নাম অর্জুন দাস। দু'জন মিলে ডালিয়ার দেহ ফেলে যান হরিদেবপুরে রাস্তার ধারে। অর্জুন দাসকেও আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ডালিয়ার সঙ্গে আলাপ হয় অরুণাভর। সোমবার বিকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে অরুণাভর সঙ্গেই দেখা করতে যান ডালিয়া। সেখান থেকে অরুণাভ ভাড়ার বাড়িতে যায়। সেখানে সন্ধে সাড়ে সাতটা-আটটা নাগাদ টাকা নিয়ে ডালিয়ার সঙ্গে অরুণাভর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরপরই ডালিয়াকে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেন অরুণাভ।
অরুণাভ বিবাহিত। পুলিশে জেরায় তিনি জানিয়েছেন, ডালিয়াকে খুন করে দেহ রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়ার পর হরিদেবপুরে নিজের শ্বশুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন। খুনের মোটিভ দেখে পুলিশ মনে করছে, এটা ঠান্ডা মাথায় করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, আগে একটি অবৈধ সিকিউরিটি সার্ভিস চালাতেন অরুণাভ। পরে মধুচক্র চালাতেন এমন এক মহিলার হয়ে দালাল হিসেবে কাজ করা শুরু করেন অরুণাভ।
মাঝরাতে ভয়াবহ আগুন পটাশপুরের বাজারে, পুড়ে ছাই ১টি ক্লাবঘর, তিনটি দোকান