
শেষ আপডেট: 16 October 2023 00:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার রাতে উৎসবের শহরে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে গেল। দক্ষিণ কলকাতায় এক যুবতীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করল তার স্বামী। স্ত্রী-কে হত্যার পর নিজেও বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরে ডলি ভিলায় এক যুবতীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠল শুভেন্দু দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, মৃতার নাম কৃষ্ণা দে। শুভেন্দু ও কৃষ্ণা স্বামী স্ত্রী ছিলেন। রবিবার কোনও কারণে স্ত্রী কৃষ্ণার সঙ্গে বচসা শুরু হয় শুভেন্দুর। এরপরই রাগের মাথায় ভোজালি জাতীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক কোপ মারতে থাকেন ওই যুবক।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। পুলিশ এসে আবিষ্কার করে স্ত্রীকে মেরে নিজেই বিষ খেয়েছেন শুভেন্দু। স্ত্রীর দেহের পাশেই শুয়ে কাতরাচ্ছেন তিনি। রাত ১০.৩০ নাগাদ ওই যুবতীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন যুবতীকে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে শুভেন্দুকেও। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।
জানা গেছে, হরিদেবপুরের সোদপুর এলাকার বাসিন্দা শুভেন্দু পেশায় অটোচালক। টালিগঞ্জ থেকে বেহালা চৌরাস্তা রুটের অটো চালান তিনি। এক বছর আগে একই এলাকার মেয়ে কৃষ্ণার সঙ্গে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয় শুভেন্দুর। স্থানীয় সূত্রে খবর, কৃষ্ণার বাড়ির লোক মেনে নেননি এই বিয়ে। পুলিশের অনুমান সম্ভবত, সেই নিয়েই বিবাদ চলছিল শুভেন্দু এবং কৃষ্ণার।