
শেষ আপডেট: 18 May 2022 08:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েকদিন ধরেই ফোঁস করেছিলেন। বলেছিলেন, রাজ্য কংগ্রেসের (Congrees) কার্যকরী সভাপতি হওয়া সত্বেও দলের অনেক সিদ্ধান্তই জানতে পারছেন মিডিয়া মারফৎ। তারপর অবশ্য বরফ গলেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ছেড়ে দিলেন হার্দিক প্যাটেল (Hardik Patel)।
নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে সনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) লেখা পদত্যাগ পত্রর কপি টাঙিয়ে দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে দলীয় পদ ও প্রতীক সরিয়ে দিয়েছেন।
ক'দিন আগেই পরিচয়ের জায়গায় লিখেছেন, আমি একজন গর্বিত দেশপ্রেমিক। নিজেকে সমাজ কর্মী বলেও উল্লেখ করেছেন। এখন দেখার কোন দিকে পা বাড়ান। তিনটি সম্ভাবনা নিয়ে চর্চা চলছে। এক. বিজেপিতে যোগ দেবেন। দুই. বিধানসভা ভোটে আম আদমি পার্টির প্রধান মুখ হয়ে লড়াই করবেন। তিন. নিজের দল গড়বেন। যেটাই করুন, ক্ষতি কংগ্রেসের।
গত সপ্তাহেই গুজরাত গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী (rahul Gandhi)। বড় জনসভা করেছেন। কিন্তু হার্দিক ছিলেন নিষ্ক্রিয়। তখনই ধারণা করা হচ্ছিল পাতিদার নেতা হাত ছাড়ছেন।
বছর আঠাশের এই নেতাকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে জল্পনা চলছে ভোটমুখি গুজরাতে। সপ্তাহ দেড় আগে সাংবাদিকদের কাছে বিজেপির ভুয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। বলেন, বিজেপির কোনও রাখঢাক গুড়গুড় নেই। ওরা হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষার কথা প্রকাশ্যে বলে। আমিও তো একজন হিন্দুত্ববাদী নেতা। লব-কুশের বংশধর।
আর কয়েকমাস পর গুজরাতে বিধানসভার ভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গিয়েছে দল ভাঙানোর খেলা। এই কাজে সবচেয়ে সক্রিয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপ।
রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, হার্দিকের (Hardik Patel) গন্তব্য এবার বিজেপি,আম আদমি পার্টি নাকি নিজেই গড়বেন দল। তবে অনেকেই মনে করছেন হার্দিক বিজেপি যেতে পারেন। কারণ অতীতে দেখা গেছে, বিজেপির একাধিক নীতিতে বিজেপিকে প্রশংসা করেছেন এই প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা। যেমন, কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা অবলুপ্ত, জিএসটি চালু ও রাম মন্দির ইস্যুতে কংগ্রেসের নেওয়া নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন হার্দিক। তিনি বলেছিলেন, কংগ্রেস শুধু সমালোচনাই করছে। সমাধান কিছু বার করছে না।
বিজেপির সঙ্গে আপের রাজনীতির মৌলিক কোনও ফারাক নেই। দুই দলই হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির শরিক। বিজেপির মতো কথায় কথায় দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদকে অস্ত্র করে থাকে আপও।
ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেলেন পার্থ, সমস্ত এসএসসি দুর্নীতি মামলায় বহাল থাকবে সিবিআই তদন্ত