
শেষ আপডেট: 18 March 2019 09:11
অন্য দিকে, শুক্রবারের মসজিদ হামলায় নিহতদের পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করেছেন ক্রাইস্টচার্চের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এখনও পরিবারের সদস্যদের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সেই কাজ বুধবার থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে হামলাকারী ব্রেন্টন টারান্টের দু'টি বাড়িতেও একই সঙ্গে অভিযান চালিয়েছে অস্ট্রেলিয়া পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর মিলেছে, ওই এলাকাতেই ব্রেন্টন টারান্ট জন্মেছেন ও বেড়ে উঠেছেন। যদিও তাঁর হিংসাত্মক মনোভাবের কোনও পরিচয় কেউই কখনও পাননি বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন। বরং ব্রেন্টন এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন জেনে তাঁরা স্তম্ভিত।
পুলিশ জানিয়েছে, এপ্রিলের পাঁচ তারিখে টারান্টকে আবার আদালতে হাজির করানো হবে।
ক্রাইস্টচার্চে আল নুর মসজিদে হামলা চালানোর সময়ে আবার ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং-ও করেছিলেন ব্রেন্টন টারান্ট। তার ঠিক আগেই ব্রেন্টন অনলাইনে একটি তথাকথিত ইশতেহার প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি তার সহিংস কট্টর দক্ষিণপন্থী মতাদর্শ তুলে ধরেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ভাষায়, ব্রেন্টন টারান্ট আসলে এক জন 'উগ্র দক্ষিণপন্থী সন্ত্রাসবাদী।'
পরবর্তী কালে এরকম কোনও সন্ত্রাসবাদী যেন অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ না পায়, সে জন্যই গোটা দেশের অস্ত্র আইনে পরিবর্তিত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে নিউজ়িল্যান্ডে।