
শেষ আপডেট: 12 January 2023 06:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্র আছে, শিক্ষক (Teacher) নেই, এমন স্কুলের (school) কথা প্রায়ই শোনা যায়। শিক্ষকের অভাবে মাসের পর মাস ক্লাস বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কোথাও কোথাও একজন শিক্ষক এক কক্ষেই দুটি শ্রেণিকে পড়ান।
হবিগঞ্জের প্রাইমারি স্কুলটিও এখন শিক্ষক শূন্য। সরকারি এক আদেশে হঠাৎ করেই অন্যত্র বদলি করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষককে। তাই বলে স্কুলে পঠনপাঠন কিন্তু বন্ধ হয়নি। পড়ুয়াদের বাবা-মায়েরা সেই দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ঠিক করে নিয়েছেন কে কোন বিষয়ে পড়াবেন, কখন ক্লাস নেবেন। ফলে দিব্যি চলছে স্কুল। আর পাঁচটা দিনের মতোই কচিকাঁচাদের হই-হুল্লোড়ে মেতে থাকছে স্কুল প্রাঙ্গন।
সংকটে শিক্ষক-শিক্ষিকার ভূমিকায় অবতীর্ণ এমন পাঁচজন অভিভাবকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্কুলের বাকিরা এবং সংবাদ ও সামাজিক মাধ্যম। যেমন সরকারি ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসে পড়াচ্ছেন অলিকা দাশ। অলিকা ওই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর বোন। শিক্ষক না থাকায় তাঁকে পড়াতে হচ্ছে।
চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরই পড়াচ্ছেন তানজিনা আখতার নামের একজন অভিভাবকও। তিনি জানান, একসময় নারায়ণগঞ্জ লক্ষ্মী কটন মিলস উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা এখন কাজে লাগাচ্ছেন। পড়াচ্ছেন হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের প্রাক্তনী পর্ণা বণিক।
আলোচ্য স্কুলটি বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। স্কুলটি শিক্ষক শূন্য হয়ে পড়ায় জেলা স্কুল শিক্ষা বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট মহম্মদ শাহজাহান কবীর জেলা শিক্ষা অফিসের সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের অভিভাবকদেরও সহায়তা চান তিনি। তাঁর আহ্বানে অভিভাবকেরা সাড়া দেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ইনস্ট্রাক্টর, কম্পিউটার অপারেটর ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মধ্য থেকে আরও পাঁচজনকে অতিথি শিক্ষকতার দায়িত্ব দেন শাহজাহান কবীর। ফলে শিক্ষক শূন্য হবিগঞ্জের ওই স্কুলটিতে পঠনপাঠনে ছেদ পড়েনি বিন্দুমাত্র।
তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেনের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা, মিলল নগদ ১১ কোটিরও বেশি