দ্য ওয়াল ব্যুরো : চলতি আর্থিক বছরে ভারতের মোট জাতীয় উৎপাদনের বিকাশ হবে মাত্র পাঁচ শতাংশ। কমছে প্রত্যক্ষ কর আদায়। এই অবস্থায় আশার কথা শোনালেন আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জিওর্জিয়েভা। সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামে তাঁর ভাষণে ক্রিস্টালিনা বলেন, ভারতে আর্থিক বিকাশের ক্ষেত্রে যে মন্দা দেখা যাচ্ছে, তা সাময়িক। আশা করা যায়, আগামী দিনে বিকাশের হার ত্বরাণ্বিত হবে।
২০১৯ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। প্রথমত আমেরিকা ও চিনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের অবসান ঘটেছে। দ্বিতীয়ত অনেকগুলি দেশই কমিয়েছে কর্পোরেট ট্যাক্স। এই দু'টি কারণে বিশ্ব অর্থনীতির ফের ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে মন্দা পুরোপুরি কাটেনি এখনও। ক্রিস্টালিনা বলেন, "আপাতত বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশ হচ্ছে ৩.৩ শতাংশ হারে। এখনও বিকাশের হার বাড়েনি। আমরা চাই আর্থিক নীতি বিকাশে আরও সাহায্য করুক।" এরপর তিনি বলেন, "আমরা দেখেছি ভারতের মতো এক বিরাট বাজারে মন্দা ভাব দেখা গিয়েছে। কিন্তু তা সাময়িক। আমরা আশা করি শীঘ্র সেদেশে বিকাশের হার বৃদ্ধি পাবে। ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশ সম্পর্কেও আমরা আশাবাদী।" একইসঙ্গে তিনি বলেন, আফ্রিকার কয়েকটি দেশের অর্থনীতি সন্তোষজনক হারে বিকশিত হচ্ছে। কিন্তু মেক্সিকো ও অপর কয়েকটি দেশের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ।
ক্রিস্টালিনার মতে, দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতার হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতির হার কম হওয়ার জন্য আগামী দিনে অর্থনীতিতে বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে। তাঁর কথায়, "এই সময় বিপদের সম্ভাবনা খুব বেশি। এখন সবে জানুয়ারি মাস। আগামী দিনে এমন অনেক কিছুই ঘটতে পারে যাতে অর্থনীতির বিপদ ঘনিয়ে আসবে।"