
মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল।
শেষ আপডেট: 12 September 2024 23:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামাজিক বয়কেটর ডাক দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, "আমি মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট করব। আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও পাবলিক প্ল্যাটফর্ম শেয়ার করব না।"
জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া ধেয়ে এসেছে শাসক শিবির থেকে। লোকসভা ভোটের সময় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, "রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তো ভযঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। সেকারণে মুখ্যমন্ত্রী ওনাকে এড়িয়েও চলেন। সকলের উচিত রাজ্যপালকে বয়কট করা।"
রাজ্যপালের সাংবিধানিক পদে বসে সিভি আনন্দ বোস জঘন্য রাজনীতি করছেন বলেও অভিযোগ এনেছেন কুণাল।
আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে ন্যয় বিচার চেয়ে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষও। ওই প্রসঙ্গে এদিন সন্ধেয় এক ভিডিও বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বয়কট করার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল বোস। একই সঙ্গে নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘লেডি ম্যাকবেথ’ বলেও কটাক্ষ করেন।
রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ছে বলে অভিযোগ করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে রাজ্যপাল এও বলেছেন, "আইনশৃঙ্খলা থেকে স্বাস্থ্য সবক্ষেত্রে বাংলার শোচনীয় হাল। কারণ, যিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিনিই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিনিই মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সকলকে রক্ষা করার বদলে, প্রতিবাদে নেমেছেন।”
একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের কথায়, " কলকাতার পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি পদক্ষেপ করা উচিত"।
যার জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া ধেয়ে এসেছে শাসক শিবির থেকে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, "ওর (রাজ্যপাল) বিরুদ্ধে তো ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। উনি সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করছেন। যা বাংলার জন্য লজ্জা। এর আগে কোনও রাজ্যপাল এভাবে এই চেয়ারকে রাজনীতির কাজে ব্যবহার করেননি।"