দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারী শুরু হওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিয়োগকর্তাদের কাছে আবেদন করেছিলেন, কাউকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করবেন না। কিন্তু লকডাউনের ফলে বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছে বহু কোম্পানি। ব্যয়ভার কমাতে তারা কর্মী ছাঁটাই করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, এই পরিস্থিতিতে কোনও কোনও সংস্থায় মালিক ও কর্মচারী উভয়ের পিএফের টাকাই দিতে পারে সরকার। এখন জানা যাচ্ছে, আগে যতগুলি কোম্পানিতে সরকার পিএফের টাকা দেবে বলে স্থির হয়েছিল, বাস্তবে তার থেকে বেশি সংখ্যক সংস্থায় ওই সাহায্য করা হবে।
এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ড ফান্ড বা কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের একটি অংশ জমা দেন নিয়োগকর্তা। অপর অংশটি কর্মচারীর বেতন থেকে কেটে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সরকার যদি দু'পক্ষের অর্থই দেয়, তাহলে নিয়োগকর্তার ওপরে চাপ কমবে। গত ২৬ মার্চ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন করোনা অতিমহামারীর ধাক্কা সামলাতে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেন। তখনই বলা হয়, যে সব সংস্থায় কর্মীর সংখ্যা ১০০-র কম এবং ৯০ শতাংশ কর্মীর বেতন ১৫ হাজার টাকার কম, সেখানে নিয়োগকর্তা ও কর্মী, উভয়ের পিএফের টাকা দেবে সরকার। সোমবার জানা যায়, সরকার আরও বেশি সংখ্যক কোম্পানিতে পিএফের টাকা দেবে বলে ভাবছে।
পিএফে গ্রাহকের সংখ্যা ছ'কোটি। আগামী তিন মাস যদি সরকার ওইভাবে পিএফের টাকা জমা দেয়, তাহলে খরচ হবে ৪৮০০ কোটি টাকা। এখন প্রভিডেন্ড ফান্ডে কর্মচারীর বেসিক বেতনের ২৪ শতাংশ জমা পড়ে। তার ১২ শতাংশ দেন কর্মচারী। বাকি ১২ শতাংশ দেন নিয়োগকর্তা।