পেঁয়াজের দাম আগুন! সামাল দিতে বিদেশে রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে ঝাঁঝে চোখ জ্বালা করে জল পড়ে, এ কথা তো সকলেই জানেন। কিন্তু ইদানীং আমজনতা টের পাচ্ছে, পেঁয়াজ কিনতে গিয়েও রীতিমতো নাকের জলে-চোখের জলে অবস্থা। বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। মধ্যবিত্তের রীতিমতো মাথায় হ
শেষ আপডেট: 29 September 2019 19:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে ঝাঁঝে চোখ জ্বালা করে জল পড়ে, এ কথা তো সকলেই জানেন। কিন্তু ইদানীং আমজনতা টের পাচ্ছে, পেঁয়াজ কিনতে গিয়েও রীতিমতো নাকের জলে-চোখের জলে অবস্থা। বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। মধ্যবিত্তের রীতিমতো মাথায় হাত। এই অবস্থার বদল আনতে, মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে ফের পেঁয়াজ ফিরিয়ে আনতে রফতানি বন্ধ করার উদ্যোগ নিল ভারত সরকার।
পেঁয়াজের চড়া দামের উপর লাগাম টানতে, সরকারের তরফে পরবর্তী কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত রফতানি বন্ধ রাখার এই সিদ্ধান্তই বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রক।
রবিবার নিষেধাজ্ঞা জারির একটি নোটিস দিয়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়েছে।
এ দেশের বেশির ভাগ সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষই সামান্য ডাল-ভাত বা রুটি-তরকারির সঙ্গে লঙ্কা-পেঁয়াজ খেয়ে দু'বেলা ক্ষুন্নিবৃত্তি করেন। তাঁদের জীবনে পেঁয়াজ সাধারণ খাবারের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই অবস্থায় পেঁয়াজের এই আকাশছোঁয়া দামের জন্য সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের খাবার পাতে টান পড়েছে।
এক মাসে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কিলো দরে।
বাংলায় পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয়। নাসিক থেকে আনা হয় পেঁয়াজ। অতিবৃষ্টির জেরে নাসিক থেকে সারা দেশেই পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণেই বাড়ছে দাম
এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “পেঁয়াজের রফতানি নীতিতে সংশোধন আনা হয়েছে। যা পরবর্তী নির্দেশ জারি পর্যন্ত বহাল থাকবে।”
নাসিক থেকে দেশের বাইরে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও সেন্ট্রাল এশিয়ায় পেঁয়াজ রফতানি গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহে টান পড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। এর সুযোগ নিয়ে অনেকে কালোবাজারি করছেন। অভিযোগ, আমদানি কম হওয়ায় খুচরো বাজারে অনেক ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছেন।
তাই শুধু বাংলাতেই নয়, দেশ জুড়ে পেঁয়াজের দাম মাত্রা ছাড়া। উৎসবের মরশুমে যা চিন্তা বাড়িয়েছে কৃষি মন্ত্রকের কর্তাদের। এই বিষয়ে নজরদারি শুরু করছে দাম নিয়ন্ত্রণে তৈরি টাস্ক ফোর্স।