দ্য ওয়াল ব্যুরো : পুলিশ হেপাজতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকার মৃত্যুতে মঙ্গলবার রাতেও জোরদার বিক্ষোভ হল আমেরিকায়। এই নিয়ে টানা আটদিন ধরে চলছে বিক্ষোভ। নিহত জর্জ ফ্লয়েড যে শহরে থাকতেন, সেই হিউস্টনে তাঁর পরিবারের লোকজনও মিছিলে পা মিলিয়েছেন। গত সোমবার রাতে বিক্ষোভের সময় ব্যাপক লুঠপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেজন্য আমেরিকার বড় শহরগুলিতে কার্ফু জারি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কার্ফু অমান্য করে বিক্ষোভকারীরা পথে নামেন। কিন্তু এদিন হিংসাত্মক ঘটনার সংখ্যা ছিল আগের চেয়ে কম।
এরই মধ্যে বর্ণবৈষম্য নিয়ে বার্তা দিয়েছেন পোপ। তিনি বলেন, “আমরা বর্ণবৈষম্যকে উপেক্ষা করতে পারি না।” একইসঙ্গে তিনি হিংসার নিন্দা করেন। তিনি বলেন, হিংসার মাধ্যমে কিছু পাওয়া যায় না।
মঙ্গলবার রাতে ওয়াশিংটনে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। আকাশে চক্কর দিতে থাকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার। সেখান থেকে বিক্ষোভকারীদের ওপরে নজর রাখা হতে থাকে। নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তারা পুলিশের গাড়ি ঘিরে রয়েছে।
আগামী ৯ জুন হিউস্টনে সমাহিত করা হবে ফ্লয়েডকে। শহরের মেয়র সিলভেস্টার টার্নার জনতার উদ্দেশে বলেছেন, ফ্লয়েডের মৃত্যু বৃথা যাবে না। মঙ্গলবার লস এঞ্জেলিস, ফিলাডেলফিয়া, আটলান্টা, সিয়াটল ও মিনিয়াপোলিস থেকেও বড় বিক্ষোভের খবর পাওয়া গিয়েছে।
হিউস্টন ক্রনিকল সংবাদপত্রের খবরে জানা যায়, মঙ্গলবার ৬০ হাজার বিক্ষোভকারীর এক মিছিলে শামিল হয়েছিলেন ফ্লয়েডের বোন লা টোনিয়া এবং ভাই ফিলোনিসি। ফ্লয়েডের এক ভাইপো সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, যতদিন না ন্যায়বিচার পাচ্ছি, ততদিন আন্দোলন চলবে। মিনিয়াপোলিসে সাংবাদিক বৈঠকে ফ্লয়েডের ছ’বছরের কন্যার মা গিয়ানা বলেন, আমি ন্যায়বিচার চাই। আমার সন্তানের বাবা ভালমানুষ ছিলেন।