দ্য ওয়াল ব্যুরো : খুচরো ব্যবসা (Retail Trade) দিয়ে শুরু করেছিলেন কর্মজীবন। এখন তিনি বন্দর (Port), খনি (Mine) ও দূষণহীন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মালিক। এবার ধনকুবের মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি হলেন শিল্পপতি গৌতম আদানি। সোমবার ৫৯ বছর বয়সী আদানির সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৮৭৯০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ওই অর্থের পরিমাণ সাড়ে ছয় লক্ষ কোটি টাকা। সম্প্রতি তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ১২ হাজার কোটি ডলার। চলতি বছরে আদানি হলেন 'বিগেস্ট ওয়েলথ গেনার'।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় কয়লাখনি নিয়ে পরিবেশবিদদের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন আদানি। তাঁর সমালোচকদের মধ্যে ছিলেন বিখ্যাত পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। আদানি ক্রমশ ফসিল ফুয়েল বর্জন করে পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এছাড়া প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম উৎপাদনেও জোর দিয়েছেন তিনি।
এইচডিএফসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের রিটেল রিসার্চ শাখার প্রধান দীপক জাসানি বলেন, "অর্থনীতির যে ক্ষেত্রগুলি দ্রুত বিকাশশীল, সেখানেই বিনিয়োগ করেছে আদানি গ্রুপ।" গত দু'বছরে আদানি গ্রুপে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
২০২০ সালে মুকেশ আম্বানির সম্পত্তি ব্যাপক হারে বেড়েছিল। আম্বানির সংস্থায় বিনিয়োগ করার জন্য এগিয়ে এসেছিল ফেসবুক এবং গুগল ইনকর্পোরেটেড। কিন্তু তার পরেই আদানির সম্পত্তির পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে।
আম্বানি ও আদানি, দু'জনেই মূলত জীবাশ্ম জ্বালানি ও কয়লার ওপরে ভিত্তি করেই তাঁদের বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু এখন দু'জনেই জোর দিয়েছেন পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপরে। আদানি ঘোষণা করেছেন, ২০২৩০ সালের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করবেন ৭০ হাজার কোটি ডলার।