দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিডের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ নিয়ে যখন ক্রমশই আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়াচ্ছে তখন শনিবার জাতির উদ্দেশে বক্তৃতায় বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বার কোভিডের বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে। এটিকে প্রিকশন ডোজ অর্থাৎ সতর্কতামূলক ডোজ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বড়দিনের সন্ধেয় এই ঘোষণার পরেই শুরু হয়েছে নানাবিধ আলোচনা ও জল্পনা। জানুয়ারি থেকেই এই বুস্টার দেওয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, করোনা যোদ্ধা চিকিৎসক বা ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা এবং ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁরা সবার আগে বুস্টার ডোজ পাবেন। কিন্তু সকলের মনেই প্রশ্ন, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কতদিন পরে মিলবে কোভিড টিকার তৃতীয় ডোজ অর্থাৎ সতর্কতামূলক বুস্টার ডোজ?
প্রধানমন্ত্রী ভাষণে বা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার অর্থাৎ প্রিকশন ডোজের সময়ের ব্যবধান রাখা হবে কম-বেশি ৯ থেকে ১২ মাস।
করোনার টিকা এ দেশে শুরু হওয়ার পরে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মধ্যে কতটা ফারাক থাকা উচিত, তা নিয়েও দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। প্রথমে দুই ডোজের মাঝে ব্যবধান ছিল ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ। পরে তা বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়। তার পরে আবার আরও বেশি বাড়িয়ে করা হয় ৮৪ দিন।
এবার বুস্টার ডোজ নিয়ে কী ঘোষণা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রক, সেটাই দেখার। জানা গেছে, মন্ত্রকের উপদেষ্টা কমিটি এ নিয়ে আলোচনা করছে।
সম্প্রতি কোভিডের নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন সারা বিশ্বে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এ দেশেও দিকে দিকে ওমিক্রনের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলা-সহ ১০ রাজ্যে এদিনই কেন্দ্র থেকে ওমিক্রন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ দল পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে চলছে বছর শেষের উৎসবের মরসুম। তাতে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।