
শেষ আপডেট: 21 October 2022 09:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন দুয়েক আগেই উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে (Ghaziabad) এক মহিলাকে অপহরণ করে গণধর্ষণ (gang-rape) এবং যৌনাঙ্গে লোহার রড (iron rod) ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। ৫ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ। কিন্তু দু'দিন পরেই ঘটনায় অভাবনীয় মোড়! পুলিশ জানাল, আদৌ কোনও গণধর্ষণের ঘটনাই ঘটেনি! বরং জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে ওই ৫ ব্যক্তিকে মিথ্যে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলায় ফাঁসানোর চক্রান্ত করেছিলেন (made up) অভিযোগকারিণী।
দিল্লির মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিয়াল দিন দুয়েক আগেই অভিযোগ করেছিলেন, দিল্লির এক মহিলাকে যৌনাঙ্গে রড ঢোকানো অবস্থায় গাজিয়াবাদে একটি বস্তার মধ্যে হাত পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। ৩৬ বছর বয়সি ওই মহিলাকে অপহরণ করে দুদিন ধরে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্তু গতকাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টাই সাজানো। ওই ৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনেছিলেন মহিলা। শুধু তাই নয়, এই চক্রান্ত করার জন্য নিজের কিছু বন্ধুর সাহায্য নিয়েছিলেন অভিযোগকারিণী। ইতিমধ্যে মহিলার ৩ জন বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুয়ো ধর্ষণের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করার পর আসল ঘটনা সামনে আসে। জানা যায়, অভিযোগকারিণীর সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ ছিল ওই ৫ জনের। তারপরেই নিজের কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তাঁদের ফাঁসানোর চক্রান্ত করেন ওই মহিলা। যে দুদিন তিনি নিখোঁজ ছিলেন, সেই সময় তিনি আসলে নিজের দুই বন্ধুর সঙ্গে পার্টি করছিলেন বলে তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে পুলিশ। ফোনের সিগন্যাল দেখে জানা গেছে, অভিযোগকারিণীকে যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, ঠিক সেখান থেকেই তাঁর বন্ধুরা নিজের ফোন সুইচড অফ করে দেন।
মহিলা অভিযোগ করেছিলেন, গাজিয়াবাদে এক বন্ধুর জন্মদিনের পার্টি থেকে বেরিয়ে দিল্লির বাস ধরবেন বলে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। সেই সময় বন্দুক দেখিয়ে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে ৫ যুবক। কিন্তু বাস্তবে মহিলা যে গাড়িটিতে করে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে তাদের বাড়িতে গিয়ে পার্টি করছিলেন, সেই গাড়িটি খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ধর্ষণের ঘটনাটি চারিদিকে প্রচার করার জন্য এক ব্যক্তিকে টাকাও দিয়েছিলেন ওই মহিলা। ওই ব্যক্তির এর আগেও অপরাধ করার ইতিহাস রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, উদ্ধার করার পর মহিলাকে গাজিয়াবাদের একটি সরকরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মহিলাকে। পরে তাঁকে মিরাটে নিয়ে যাওয়া হয়। দুটি হাসপাতালের কোনওটিতেই শারীরিক পরীক্ষা করাতে রাজি হননি ওই মহিলা। এরপর তাঁরই অনুরোধে অভিযোগকারিণীকে দিল্লির জিটিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি।
এক যুগ আগের বেনারসী পরছেন মা ভবতারিণী! এদিকে দক্ষিণেশ্বরে শাড়ির পাহাড়, ব্যাপারটা কী