শেষ আপডেট: 27 November 2018 08:17
জঙ্গি দমনে নাজির ছিলেন তাঁর টিমের শেষ কথা। জঙ্গিদের গতিবিধি তড়িৎ গতিতে বুঝতেন নাজির। সেভাবেই সেনাদের ছড়িয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। ২০০৭ সালে সাহসের সঙ্গে জঙ্গি দমন ও পরিকল্পনার জন্য সেনা মেডেলও পান তিনি।তল্লাশি অভিযানে জঙ্গিদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, নাজির নাকি সহজেই বলে দিতে পারতেন। জঙ্গি দমনে তাঁর নিশানা এদিক ওদিক হত না, জানাচ্ছেন নাজিরের টিমেরই এক সেনা জওয়ান।
সোমবার সোপিয়ানে জঙ্গি দমনের ক্ষেত্রেও ঠিক সেইভাবেই এগিয়ে গিয়েছিলেন নাজির আহমেদ ওয়ানি। ৫ জঙ্গিকে তিনি একাই নিকেশ করেন। সেই সময়েই জঙ্গিদের পাল্টা গুলি তাঁর বুকে এসে লাগে। গুলি লাগে আরও এক জওয়ানের। লুকিয়ে থাকা আরও এক জঙ্গিকে গুলি করার পর নাজিরদের দেহ উদ্ধার করে সেনা।
তাজা বুলেট নিয়ে কেজরিওয়ালের কাছে, ধৃত মসজিদের কেয়ারটেকার
কুলগামের ছোট্ট গ্রাম চেকি আসমুজির বাসিন্দা নাজির ওয়ানি। সোমবার নাজিরের কফিনবন্দি দেহ গ্রামে পৌঁছতেই গ্রামবাসীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।কুলগামের সাহসী জওয়ানটাই তো এতদিন গ্রামকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। তাঁর নজর থেকে পার পেত না কোনও জঙ্গি। সেই প্রলাপই চলে নাজিরের জাতীয় পতাকায় মোড়া দেহ ঘিরে। ২১ গান স্যালুটের পর শেষকৃত্য, নাজিরকে ঘিরে তখন ৫০০-৬০০ মানুষ।
সদ্য বিধবা নাজিরের স্ত্রী, দুই সন্তানকে নিয়ে ভাবলেশহীন ভাবেই জানালেন, 'এটাই তো চেয়েছিলেন নাজির, আজ ওর শেষ ইচ্ছে পূর্ণ হল, তেরঙায় মুড়ল শহিদ নাজির ওয়ানির দেহ।"