
শেষ আপডেট: 2 November 2020 18:30
পার্লে বলেছেন, মালি ও সোমালিয়ায় ইসলামপন্থী জঙ্গিদলগুলো মাথাচাড়া দিয়েছে। ২০১৩ সালেও দফায় দফায় সামরিক অভিযান চালায় ফ্রান্স। জঙ্গিমুক্ত করা হয় মালির কনা শহরকে। ফরাসি প্রতিরক্ষমন্ত্রী বলেছেন, অ্যান্টি-জিহাদি অপারেশন চালানোর আগে নাইজারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক হয়। সীমান্তবর্তী তিন এলাকায় জঙ্গিদের ড্রোন দেখা যাচ্ছিল কয়েকদিন ধরেই। ওই এলাকায় তাদের সামরিক ঘাঁটিও তৈরি হচ্ছিল। তাই এই সামরিক অভিযানের প্রয়োজন ছিল।
ফরাসি সেনা জানিয়েছে, দুটি মিরাজ ফাইটার জেট এবং সশস্ত্র ড্রোন পাঠানো হয় ওই এলাকায়। মিরাজ জেট থেকে মিসাইল হামলা করা হয় জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে। জিহাদিরা প্রথমে গাছের আড়ালে লুকিয়ে গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ফাইটার জেট থেকে ছুটে যাওয়া মিসাইল জঙ্গি ক্যাম্পগুলোকে উড়িয়ে দেয়।
সেনার মুখপাত্র কর্নেল ফ্রেডেরিক বার্বরি বলেছেন, চার জঙ্গিকে পাকড়াও করা হয়েছে। এদের যোগ রয়েছে আল কায়দার সঙ্গে। জঙ্গিদের কাছ থেকে আত্মঘাতী জ্যাকেট ও প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। ফ্রেডেরিকের দাবি, ফিদায়েঁ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছিল শিবিরগুলিতে। এর পরের মিশন গ্রেটার সাহারা। সেখানে অন্তত তিন হাজার ইসলামপন্থী জঙ্গি ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বলে খবর।
গত জুন মাসে স্থানীয় সেনাবাহিনীর সাহায্যে উত্তর মালির আল কায়দা ঘাঁটিতে অভিযান চালায় ফরাসি বায়ুসেনা। সেই এয়ার স্ট্রাইকে আল কায়দা প্রধান আমির আবদেল মালেক দ্রুকদেল ও তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ অনুচর নিকেশ হয়। ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানান, আফ্রিকায় আল কায়দা শিবিরে বড়সড় ধাক্কা ছিল সেই অভিযান। দ্রুকদেল জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিনিরেরও (জেএনআইএম) দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ বলেই ডাকা হত।