
শেষ আপডেট: 17 August 2022 11:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ, নিখরচায় বাসে যাতায়াত, চিকিৎসা, পড়ুয়াদের ল্যাপটপ, মোবাইল, সাইকেল ইত্যাদি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কি নিছকই সুবিধা নাকি ভেট (Freebies)?
একটি মামলায় বুধবার সুপ্রিম কোর্ট সব দল ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে। সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি আসলে ভোটারদের লোভনীয় উপহার (Freebies) দেওয়ার ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশনের তা বন্ধ করা উচিত, দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়।
ওই মামলায় প্রধান বিচারপতি এমভি রমনা এবং বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারির ডিভিশন বেঞ্চের কাছে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাথমিক বক্তব্য পেশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতমাসে উত্তরপ্রদেশে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে সরকারি টাকার খরচ নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলেন (Freebies)। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, সুবিধা দেওয়ার নামে দান খয়রাতি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, সব সুবিধাই যদি বিনা পয়সায় দেওয়া হয় তাহলে সরকার রাস্তা, সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির টাকা আসবে কোথা থেকে।
প্রসঙ্গত, কম বেশি সব রাজনৈতিক দল সুবিধা দেওয়ার কথা বললেও হালে এই ব্যাপারে বারে বারে নাম আসছে আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। দিল্লির পর পাঞ্জাবেও তারা নিখরচায় বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাৎ করেছে। গুজরাতে একই রাস্তায় হাঁটছে তারা। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের ভাষণে কোনও দলের নাম না করলেও তাঁর কথার কড়া জবাব দেন কেজরিওয়াল। গত পরশু স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কেজরিওয়াল বলেন, নাগরিকদের কিছু ফ্রি দেওয়া মানে উপঢৌকন নয়।
আজ কেন্দ্রীয় সরকার আদালতে বলেছে, আমরা সমাজতান্ত্রিক ভাবনার বিরোধী নই। কিন্তু সব সুবিধা নিখরচায় দিলে কীভাবে চলবে?
কেন্দ্রের বক্তব্যের জবাবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, একশো দিনের কাজ, নিখরচায় লেখাপড়ার সুবিধা দেওয়া কি ভোটারকে প্রভাবিত করার জন্য দেওয়া হয়?
সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই ব্যাপারে মতামত সোমবারের মধ্যে জানাতে বলেছে। মামলায় দাবি করা হয়েছে, বিশেষ সুবিধা প্রদানকারী দলগুলিকে নির্বাচন কমিশন নিষিদ্ধ ঘোষণা করুক। আজ আদালতে বিশেষ পিটিশন দাখিল করে ডিএমকে এবং আপ এই মামলায় যুক্ত হতে চেয়েছে।
পার্থর নিরাপত্তারক্ষীর সুপারিশে অনেকের চাকরি! সবাইকে জেরা করতে পারবে সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের