
শেষ আপডেট: 27 March 2023 05:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়া চিন ১৯৫২’, এই তিনটি বইয়ের জন্য মরণোত্তর সাহিত্য সম্নান উৎসর্গ করা হল বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে (Mujibur Rahman)। ফাউন্ডেশন অব সার্ক রাইটার্স এন্ড লিটারেচার (FOSWAL) সংস্থা এই সম্মান প্রদান করেছে। দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনয় ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার এবং লেখক গবেষক মফিদুল হকের হাতে এই সম্মান স্মারক তুলে দেওয়া হয় রবিবার।
এ বছর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সার্ক সাহিত্য সম্মেলন। ২০০১ সাল থেকে ফাউন্ডেশন অব সার্ক রাইটার্স এন্ড লিটারেচার সংস্থা এই সম্মান প্রদান করে আসছে।
প্রখ্যাত পাঞ্জাবি ঔপন্যাসিক এবং এফওএসডব্লিউএএল -এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অজিত কৌর বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে নেই। তিনি আমাদের জন্য তিনটি মূল্যবান ও চিন্তাশীল বই রেখে গেছেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এফওএসডব্লিউএএল সাহিত্য উৎসব-২০২৩-এর সম্মান দেওয়া হল।
প্রসঙ্গত, শেখ মুজিবুরের বই তিনটির মধ্য তাঁর দেশ এবং বিশ্বরাজনীতির ধারাবিররণী লিপিবদ্ধ আছে। তিনটি বই-ই প্রকাশিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার বহু বছর পর। ১৯৭৫-এ ঢাকায় ধানমণ্ডির বাড়িতে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করার পাশাপাশি সেনারা গোটা বাড়ি তছনছ করে। মূল্যহীন ভেবে কিছু কাগজপত্র তারা ফেলে যায়। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়িটি তালাবন্ধ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। বহু বছর পর সেই কাগজের স্তুপের মধ্যে মেলে তিনটি ডায়েরি। বাংলাদেশের বাংলা আকাদেমি পর্যায়ক্রমে তিনটি বই প্রকাশ করে। এর মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটির এখনও পর্যন্ত কুড়িটি ভাষায় অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
রাহুল ইস্যুতে প্রতিবাদে কংগ্রেসের পাশে আজ তৃণমূলও, কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে প্রতিবাদ