.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 15 September 2024 16:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদালত চত্বরে নিজের সহকর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হল এক আইনজীবীকে। রবিবার ঘটনাটি ঘটে শিয়ালদহ কোর্টে।
আদালত সূত্রের খবর, আরজি কর কাণ্ডে ধৃত টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের জামিনের আবেদন জানান ওই আইনজীবী। এরপরই ওই আইনজীবীকে সওয়ালে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী 'দ্বিতীয় দিন যেন সওয়ালে না দেখি' বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
এ ব্যাপারে আদালত চত্বরে আইনজীবীদের জোট বাঁধতেও দেখা যায়। টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের আইনজীবীর উদ্দেশে তাঁদের বলতে শোনা যায়, "একজন জুনিয়র চিকিৎসক নিজের কর্মস্থলেই নৃশংস ধর্ষণ-খুনের শিকার হলেন, আর ওই ওসি সেই অপরাধীদের বাঁচাতে তথ্য লোপাট করেছে। এরপরও ওর হয়ে লড়ছেন কীভাবে?"
আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় শনিবার টালা থানার প্রাক্তন ওসিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। একই মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও। ধৃতদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ লোপাট, ষড়যন্ত্র এবং সরকারি কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন না করার অভিযোগ এনেছে সিবিআই।
প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনায় এর আগে সুপ্রিমকোর্টেও প্রশ্নের মুখে পড়েছিল পুলিশ। ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে কেন ক্রাইম সিন সুরক্ষিত রাখা হয়নি, সকালের ঘটনায় কেন রাতে এফআইআর, বিকেল ৪টের পর কেন ময়নাতদন্ত, তাড়াহুড়ো করে সৎকার কেন- পুলিশের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই উঠেছে একাধিক অভিযোগ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই টালা থানার বিরুদ্ধে গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এদিন আদালতেও সেই প্রসঙ্গ টেনে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে নয়, ঘটনার একজন ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিজিৎ মণ্ডলকে।
অন্যদিকে সিবিআইয়ের গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে অভিজিতের আইনজীবী বলেন, ‘‘কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠলে বিভাগীয় তদন্ত হতে পারে। তার জন্য গ্রেফতারি কেন?" সিবিআই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনলেও কোনও নথি এখনও দেখাতে পারেনি বলেও আদালতে দাবি করেন তিনি। সিবিআইয়ের অ্যারেস্ট মেমো নিয়েও আদালতে প্রশ্ন তোলেন তিনি।