বিস্ফোরণের অভিঘাত ছিল এতটাই, যে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায় সেই শব্দ। উড়ে যায় বাড়ির ছাদ। এত জোরে বিস্ফোরণ হয় যে, বাড়ির আসবারপত্র ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশের মাঠে। জানলার গ্রিল-সহ দেওয়াল উড়ে যায় পাশের এলাকায়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 1 April 2025 09:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে বিস্ফোরণ-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হল। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু সুতপা বণিকের। অর্থাৎ একই পরিবারের চার শিশু-সহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট। এখনও নিখোঁজ বাজি কারখানার মালিক দুই ভাই চন্দ্রকান্ত বণিক এবং তুষার বণিক। দু'জনের বিরুদ্ধেই খুনের চেষ্টায় জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে ঢোলাহাট থানায়। ঘটনার তদন্ত করতে আজই ঘটনাস্থলে যাবে ফরেনসিক দল।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ আচমকা বিকট শব্দ শোনা যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট (Patharpratima News) থানার রায়পুরের তৃতীয় ঘেরি এলাকায়। অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার (Patharpratima Blast) বণিক পরিবারের আট সদস্যের। যাঁদের মধ্যে রয়েছে দু'জন সদ্যজাত-সহ চার শিশুও।
বিস্ফোরণের অভিঘাত ছিল এতটাই, যে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যায় সেই শব্দ। উড়ে যায় বাড়ির ছাদ। এত জোরে বিস্ফোরণ হয় যে, বাড়ির আসবারপত্র ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশের মাঠে। জানলার গ্রিল-সহ দেওয়াল উড়ে যায় পাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যে বিপত্তি হয়েছে তা নয়, বরং প্রায় এক দশক ধরে বাড়ির মধ্যে বেআইনিভাবে মজুত রাখা বাজি থেকেই প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। তারপর সিলিন্ডার ফাটে। বাড়ির মধ্যেই ছিল বেআইনি বাজির কারখানা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর এভাবেই চলছিল, প্রশাসনকে বললেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। শুধু তাই নয়, বাড়িতে বোমা তৈরি হত বলেও দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ। এদিকে লাইসেন্স থাকার পাল্টা দাবি করেছেন পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীরকুমার জানা।