দ্য ওয়াল ব্যুরো : ক্ষমতায় আসার পরেই পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান। সেইমতো আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন ভারতকে। দিল্লি প্রথমে রাজি হয়েও পিছিয়ে এসেছিল। এরপর পাকিস্তান থেকে আমেরিকাকে অনুরোধ করা হয়, আপনারা ভারতকে বলুন যেন আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। আমেরিকাও পাকিস্তানের অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছে।
পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, দুই দেশ আলোচনায় না বসলে উত্তেজনা বাড়তে পারে।
ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস নামে এক সংগঠনের প্রশ্নের জবাবে কুরেশি বলেন, আমরা কেন আমেরিকাকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সহযোগিতা করতে বলছি? কারণ আমরা নিজেরা বৈঠক করতে পারছি না।
আমেরিকা যে পাকিস্তানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে সেকথা স্বীকার করে কুরেশি বলেন, আমরা ওয়াশিংটনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তোমরা কি আমাদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সাহায্য করতে পার? তারা বলেছে, পারব না। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে তোমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত আলোচনায় বসবে বলেও পিছিয়ে গিয়েছে। তাঁকে বলা হয়, ভারত তো বলেছে আপনারা সন্ত্রাসবাদীদের সহায়তা করেন, তাই আলোচনায় বসবে না। কুরেশি এই প্রশ্নের জবাব দেননি।
তিনি বলেন, ভারত যদি মনে করে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা না করলে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা থাকবে তবে তাই হোক।