অনলাইনে ওষুধ, এবার বাজারে আসতে চায় ফ্লিপকার্ট
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কদিন আগেই অ্যামাজন জানিয়েছে, ভারতে অনলাইনে ওষুধ বিক্রি শুরু করছে সংস্থা। এবার একই পথে হাঁটতে চাইছে ফ্লিপকার্টও। ভারতে ওষুধের অনলাইন বাজার ক্রমশ বাড়ছে দেখে এবার ওয়ালমার্টের অধীনস্থ ফ্লিপকার্ট এমনই উদ্যোগ নিচ্ছে বলে খবর। ইতি
শেষ আপডেট: 17 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কদিন আগেই অ্যামাজন জানিয়েছে, ভারতে অনলাইনে ওষুধ বিক্রি শুরু করছে সংস্থা। এবার একই পথে হাঁটতে চাইছে ফ্লিপকার্টও। ভারতে ওষুধের অনলাইন বাজার ক্রমশ বাড়ছে দেখে এবার ওয়ালমার্টের অধীনস্থ ফ্লিপকার্ট এমনই উদ্যোগ নিচ্ছে বলে খবর। ইতিমধ্যেই এনিয়ে অনলাইনে ওষুধ বিক্রিকারী সংস্থা 'ফার্মাইজি'-র সঙ্গে ফ্লিপকার্টের আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমনটাও শোনা যাচ্ছে যে, বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীক অনলাইনে ওষুধ বিপণন সংস্থা 'মেডিলাইফ' হাত মেলাতে পারে 'ফার্মাইজি'-র সঙ্গে।
আরও পড়ুন
খবরে প্রকাশ, ইতিমধ্যেই ফ্লিপকার্টের সিইও কল্যাণ কৃষ্ণামূর্তি বেশ কয়েক দফায় বৈঠক করেছেন ফার্মাইজি-র সঙ্গে। অনলাইনে ওষুধ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং তা চালু করার আগে বিভিন্ন আইনি দিক ফ্লিপকার্ট খতিয়ে দেখছে বলে জানা গিয়েছে। কারণ, সম্প্রতি অ্যামাজন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে বিরোধিতা এসেছে ওষুধ বিক্রেতাদের সংগঠনের তরফে। এই ব্যবসা অবৈধ বলে দাবি করে অ্যামাজন কর্তা জেফ বেজসকে চিঠিও পাঠিয়েছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন জানায়, শিগগিরই তারা ভারতের বাজারে অনলাইন ওষুধ বিক্রির পরিষেবা শুরু করবে। অ্যামাজনের তরফে বলা হয়েছে, শুরুতে শুধু বেঙ্গালুরুতে এই পরিষেবা চালু হবে। তারপর আস্তে আস্তে অন্য মেট্রো শহরগুলিতে ছড়িয়ে পড়বে ‘অ্যামাজন ফার্মেসি।’ তবে ঠিক কোন মাসের কত তারিখে এই সার্ভিস শুরু হবে সে ব্যাপারে কিছু স্পষ্ট করেনি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ। তবে সংস্থা এটা জানিয়েছে যে, প্রেসক্রিপশনের ওষুধ ছাড়াও মেডিক্যাল সামগ্রী, আয়ুর্বেদিক ওষুধও মিলবে অ্যামাজন ফার্মেসি থেকে।
এবার সেই প্রস্তুতির জন্যই আলোচনা শুরু করেছে ফ্লিপকার্ট। তবে এই আলোচনা যেহেতু প্রাথমিক স্তরে তাই এখনও কী পরিমাণে বিনিয়োগ ফ্লিপকার্টর তরফে হতে পারে তা জানা যায়নি। আলোচনা নিয়ে মুখ খুলতেও রাজি হয়নি ফ্লিপকার্ট। তবে ফার্মাইজি-র পক্ষে ধাবাল শাহ জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতির পরে সংস্থার কাছে অনলাইনে ওষুধের চাহিদা ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে।
অনলাইন ওষুধের চাহিদায়ে এই বৃদ্ধির কারণেই অনলাইনের বড় সংস্থা অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের নজর এই বাজারের দিকে। তবে অনেকেই অনলাইন ওষুধ ব্যবসার বিরুদ্ধে। ক্রেতাদের মধ্যেও অনেকে এটা ঠিক নয় বলেই মনে করেন। তাদের বক্তব্য, অনলাইনে ওষুধ বিক্রি হলে বিপদ অনেক। যে ওষুধ ডেলিভারি হয়েছে তা যথাযথ কিনা বোঝা মুশকিল। ওষুধের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তা ছাড়া অনেকে বলছেন, অনলাইন ডেলিভারিতে অনেক সময়েই সার্ভার সমস্যা বা অন্যান্য যান্ত্রিক গোলোযোগ থাকে। তাতে এক দিকে যেমন রোগীর ওষুধ পেতে দেরি হবে তেমনই একটি ওষুধের বদলে অন্য ওষুধও ডেলিভারি হয়ে যেতে পারে। কোল্ড চেন দরকার এমন অনেক ওষুধ অনলাইনে কেনাও ঝুঁকির।