
শেষ আপডেট: 10 June 2020 18:30
গগনযানের ইলাস্ট্রেশন[/caption]
ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবন ঘোষণা করে দিয়েছেন, গগনযানের জন্য চার নভশ্চরকে বাছা হয়েছে বায়ুসেনা থেকে। চারজনেই বায়ুসেনার দক্ষ পাইলট। দীর্ঘ সময় আকাশে বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা আছে। তবে নভশ্চরদের মহাকাশে পাঠানোর আগে বিজ্ঞানীদের প্রোগ্রাম করা রোবট ব্যোমমিত্র যাবে মহাকাশে। তার কাজ হবে, মহাকাশে শূন্য মাধ্যাকর্ষণে গগনযানের ভেতর কী কী বদল হচ্ছে তার নির্ভুল তথ্য ইসরোর গ্রাউন্ড কম্যান্ডে পাঠানো।
এত দিন ধরে মহাকাশ চর্চার আঙিনায় কম সাফল্য পায়নি ভারত। চাঁদে গবেষণা চালানো হয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে। মঙ্গল গ্রহেও পাঠানো হয়েছে মহাকাশযান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মহাকাশে মানুষ পাঠায়নি ভারত। গগনযান অভিযান সেই স্বপ্নই সফল করবে। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায়, সাত দিন পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করতে পারবে এই গগনযান।
সাত টনের এই মহাকাশযানে চারজন মহাকাশচারী থাকবেন। পৃথিবীকে পাক খেতে খেতেই মহাকাশে গবেষণা চালাবে ইসরোর মহাকাশযান। গনযানের চার নভশ্চর ভারতীয় বায়ুসেনার চার দক্ষ অফিসার। এখন তাঁদের প্রশিক্ষণ চলছে রাশিয়ার ইউরি গ্যাগারিন কসমোনট ট্রেনিং সেন্টারে রাশিয়ার স্পেস এজেন্সি গ্ল্যাভকসমস ও জেএসসি (স্টেট স্পেস কর্পোরেশন রসকসমস)এবং ইসরোর হিউম্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ট্রেনিং চলছে চার নভশ্চরের।
মহাকাশ অভিযান ও চর্চায় এগিয়ে থাকা দেশগুলির অন্যতম রাশিয়া। সেই দেশের মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনই প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশে গিয়েছিলেন। ১৯৮৪ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার ‘ইন্টারকসমস প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমেই ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন পাইলট রাকেশ শর্মা প্রথম ও এখনও পর্যন্ত একমাত্র ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে গিয়েছিলেন। তাঁকে ও আর এক প্রাক্তন বায়ুসেনা পাইলট রবিশ মালহোত্রাকেও বেশ কয়েক মাস ধরে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে মহাকাশ যাত্রার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়েছিল রাশিয়াই।